Bankura: ‘গুলি চালালে কিন্তু…’, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিতে হল হুঁশিয়ারি, নির্বাচনের মুখেই বাঁকুড়ায় দানা বাঁধল উত্তেজনা!

Bankura: নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। গতকালই কমিশন জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রতিদিন আপডেট করা হবে।

Bankura: গুলি চালালে কিন্তু..., কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিতে হল হুঁশিয়ারি, নির্বাচনের মুখেই বাঁকুড়ায় দানা বাঁধল উত্তেজনা!
বাঁকুড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 27, 2024 | 11:28 AM

বাঁকুড়া:  এবারের লোকসভা নির্বাচনে কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে বাংলা। বাংলায় ইতিমধ্যেই ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গিয়েছে। নজিরবিহীনভাবে এত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী এবার ভোট করাতে চলেছে কমিশন। স্পর্শকাতর এলাকা তো বটেই, গ্রামের ওলিগলি সর্বত্রই চষে বেড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শোনা যাচ্ছে ভারী বুটের আওয়াজ। তারই মধ্যেই প্রচারে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বসলেন তৃণমূল প্রার্থী। “কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে”, ঠিক এরকই হুঁশিয়ারি দিলেন বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী। আর তা ঘিরেই তৈরি হল রাজনৈতিক বিতর্ক।  বিজেপির কটাক্ষ, তৃণমূল প্রার্থী কি প্রচারে বেরিয়ে হুমকি দিচ্ছেন? আদৌ কী তাহলে বাংলায় সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে? প্রশ্ন বিরোধীদের।

নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। গতকালই কমিশন জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রতিদিন আপডেট করা হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি নিয়ে প্রতিদিন কমিশনকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্তাদের।

এই নির্দেশিকা জারি হতে না হতেই এবার পরোক্ষে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন বাঁকুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী। অরূপ চক্রবর্তী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার মেজিয়ায় প্রচারে গিয়ে বলেন, ” কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আমরা গোলাপ ফুল দিয়ে স্বাগত জানাবো। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করব। কিন্তু যেন ওরা গুলি না চালায়। গুলি চালালে ফল অন্যরকম হবে।”

তৃণমূল প্রার্থীর এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারের দাবি, “কেন্দ্রীয় বাহিনী অযথা কেন গুলি চালাতে যাবে? তাহলে কী তৃণমূল প্রার্থী অন্যান্য নির্বাচনের মতো বোম, বন্দুক দিয়ে আইন শৃঙ্খলা নষ্ট করার পরিকল্পনা করে রেখেছেন, আর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে?” আপাতত এই মন্তব্য নিয়েই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কোচবিহারের শীতলকুচি অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। জোড়পাটকি ১২৬ নম্বর বুথ। সেই বুথে সিআইএসএফের বিরুদ্ধে গুলি চালনার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ৬ সিআইএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে সমন জারি করে কোচবিহার আদালত। শীতলকুচি গুলিকাণ্ড নিয়ে বহু চাপানউতোর হয়। সেই মামলা এখনও বিচারাধীন। যদিও সিআইএসএফের দাবি ছিল, আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয়েছিল।

Follow Us