
বাঁকুড়া: নড়বড় করছিল অনেক দিন থেকেই, শেষে ভেঙেই গেল। শালী নদীর বাঁশের সাঁকো ভেঙে নদীর জলে পড়লেন দুই বাইক আরোহী-সহ মোট ৪ জন। দ্রুত স্থানীয় বাসিন্দারা নদীর জল থেকে ওই ৪ জনকে উদ্ধার করে। ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও একেবারে দুমড়ে মুচড়ে একটি বাইক। মঙ্গলবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাস থানার ভগবতীপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে ইন্দাস ব্লকের ভগবতীপুর গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তায় রয়েছে শালী নদী। এই শালী নদীর উপর পাকা সেতু তৈরির দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানাচ্ছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। কিন্তু তাঁদের দাবি আজও পূরণ হয়নি। অগত্যা নদীর উপর বাঁশের নড়বড়ে ও বহু পুরানো একটি সাঁকো দিয়েই চলে যাতায়াত।
স্থানীয়দের দাবি, গতকাল রাতে এক ব্যক্তি তাঁর ছেলের টিউশনে ছুটির পর বাইকে চাপিয়ে নিয়ে ভগবতীপুর গ্রামে ফিরছিলেন। বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই সাঁকোর একাংশ একদিকে কাত হয়ে গেলে বাইক সহ ওই দুই আরোহী প্রায় ৩৫ ফুট উঁচু সাঁকো থেকে শালী নদীর জলে পড়ে যান। ঘটনার সময় স্থানীয় দুই ব্যক্তি সাঁকো মেরামতের কাজ করছিলেন। তাঁরাও নদীর জলে পড়ে যান। দ্রুত স্থানীয়রা জলে নেমে ওই ৪ জনকে উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে উদ্ধার হয় বাইকটিও।
বছর খানেক আগে এই সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে এক বাইক আরোহীর মৃত্যুও হয়েছিল। এ যাত্রায় তেমন কেউ হতাহত না হলেও বাইকটি দুমড়ে মুচড়ে গেছে। স্থানীয়দের দাবি বারংবার এই দুর্ঘটনা থেকে ভগবতীপুরের বাসিন্দাদের বাঁচাতে দ্রুত শালী নদীর উপর সরকার পাকা সেতু তৈরির উদ্যোগ নিক প্রশাসন।