Bishnupur: সাত সকালে বিষ্ণুপুরের কৃষ্ণ মন্দিরে যাওয়ার পথে বেদীতে চোখ পড়তেই চমকে উঠলেন সবাই…

Bishnupur Krishna Report: স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, গভীর রাতে ওই বকুল গাছের তলায় শ্রীকৃষ্ণ সখীদের নিয়ে লীলা করতেন। তাই লাল চন্দনের পায়ের ছাপ দেখে, বাসিন্দাদের সেই বিশ্বাস আরও স্পষ্ট হয়েছে। লোকমুখে ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিষ্ণুপুর শহরে। আর তাতেই দলে দলে লোকজন ভিড় জমাতে শুরু করেন। বাসিন্দারা বলছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছে পায়ের ছাপগুলি।

Bishnupur: সাত সকালে বিষ্ণুপুরের কৃষ্ণ মন্দিরে যাওয়ার পথে বেদীতে চোখ পড়তেই চমকে উঠলেন সবাই...
লাল পায়ের ছাপImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Aug 04, 2026 | 12:28 PM

বাঁকুড়া: কয়েক’শ বছরের প্রাচীন বকুল গাছটির মৃত্যু হয়েছে সম্প্রতি। তারপর থেকে শূন্যই পড়েছিল বকুল গাছের বাঁধানো বেদী। আজ সাত সকালে সেই শূন্য বেদীতে জমল ভিড়। বেদীর দিকে চোখ পড়তেই চমকে ওঠে এলাকার মানুষজন। কেউ ফুল নিয়ে ছুটে যায়, কেউ মোবাইলের ক্যামেরা অন করে তুলে রাখে সেই ছবি। মরা গাছের বেদীতে এ কার পায়ের ছাপ!

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর শহরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিষ্ণুপুর শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের মাধবগঞ্জ এলাকায় রাধা মদন গোপাল জিউয়ের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ছিল বকুল গাছটি। সেই গাছকে ঘিরে বাঁধানো বেদী। সাদা রঙের বেদীতে লাল চন্দনের পায়ের ছাপ দেখেই হতবাক এলাকার মানুষ। অন্যান্য দিনের মতো এদিন সকালে ওই মন্দিরে নাম সংকীর্তন করতে যান ভক্তরা। দেখতে পান, শূন্য সেই বেদীতে বেশ কয়েক জায়গায় লাল চন্দনের পায়ের ছাপ। বিষয়টি জানাজানি হতেই হইচই পড়ে যায় এলাকায়।

পায়ের ছাপ স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের এই বিশ্বাসে ভর করে সকাল থেকে বেদীকে ঘিরে জমতে শুরু করে উৎসাহী মানুষের ভিড়। সময় যতো যায়, ততই বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের মাধবগঞ্জের সেই শূন্য বেদীকে ঘিরে উপচে পড়ে উৎসাহী জনতার ভিড়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, গভীর রাতে ওই বকুল গাছের তলায় শ্রীকৃষ্ণ সখীদের নিয়ে লীলা করতেন। তাই লাল চন্দনের পায়ের ছাপ দেখে, বাসিন্দাদের সেই বিশ্বাস আরও স্পষ্ট হয়েছে। লোকমুখে ঘটনার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিষ্ণুপুর শহরে। আর তাতেই দলে দলে লোকজন ভিড় জমাতে শুরু করেন। বাসিন্দারা বলছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছে পায়ের ছাপগুলি। ভক্তিতে গদগদ হয়ে তাঁরা নতজানু হয়ে প্রণাম করছেন, কেউ আবার বেদীর ধুলো গায়ে মাখছেন। তবে পায়ের ছাপ আদতে কার, তা এখনও অস্পষ্ট।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us