
বাঁকুড়া: প্রচারে বেরিয়ে কোতুলপুরের সেলুনে ঢুকে চুল কেটেছিলেন সুজাতা, চুল না কাটলেও সেই কোতুলপুরেই সেলুনে ঢুকলেন সৌমিত্র খাঁ। সেলুনে বসে দিলেন আড্ডা। কোতুলপুরের প্রচারে কেন বারবার সেই সেলুনই চর্চায় আসছে, সেটাও তো একটা আলোচ্য বিষয়। দিন কয়েক আগে প্রচারে গিয়ে বাঁকুড়ার কোতুলপুর বাজারে একটি সেলুনে ঢুকে পড়ে কাঁচি হাতে খদ্দেরের চুল কেটে দিয়েছিলেন বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল। এবার সেই কোতুলপুরেই প্রচারে গিয়ে অন্য একটি সেলুনে ঢুকে পড়লেন সুজাতার প্রাক্তন স্বামী তথা প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ। তবে তিনি সুজাতার মতো হাতে কাঁচি নিয়ে খদ্দেরের চুল কাটলেন না। সেলুনের চেয়ারে বসে আড্ডা দিতে দিতে সারলেন ভোটপ্রচার ।
কোতুলপুরে প্রচারে গিয়ে ভোটারদের মন জয় করতে বারবার সেলুনেই কেন ছুটছেন শাসক বিরোধী শিবিরের প্রার্থীরা? ভোটের মুখে এই প্রশ্ন জাগতেই পারে রাজনৈতিক মহলের। সম্প্রতি বিষ্ণুপুর লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল প্রচারের ফাঁকে কোতুলপুর বাজারের একটি সেলুনে ঢুকে কাঁচি হাতে এক খদ্দেরের চুল কাটতে শুরু করেন। প্রার্থীর এই ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক যেমন কম হয়নি, তেমনই সামাজিক মাধ্যমে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল সুজাতা মণ্ডলকে।
তবে এবার একা সুজাতা নয়, তাঁর প্রতিপক্ষ বিজেপি প্রার্থী তথা প্রাক্তন স্বামী সৌমিত্র খাঁকেও প্রচারে গিয়ে দেখা গেল কোতুলপুর বাজারের একটি সেলুনে ঢুকে পড়তে। তিনি শুধু সেলুনে ঢুকলেন তাই নয় রীতিমতো সেলুনের চেয়ার দখল করে বসে পড়লেন। সেখানে বসেই কিছুক্ষণ আড্ডা দিয়ে ভোট প্রচার সারলেন সৌমিত্র। সৌমিত্রর এমন কাণ্ডে এবার হাতে অস্ত্র পেয়েছে তৃণমূলও।
বিজেপি প্রার্থীকে গুরুত্ব না দিয়েই তৃণমূলের দাবি. সৌমিত্র খাঁ প্রচারে আসলে তৃণমূলের সুজাতাকেই অনুসরণ ও অনুকরণ করেছেন। সৌমিত্র খাঁ অবশ্য বিষয়টিকে তেমন আমল না দিয়ে প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর দাবি, “গত ১৩ বছর ধরে কোতুলপুরকে আমার নিজের ঘর বলে মনে হয় । এই কোতুলপুরই আমাকে পরিচিতি দিয়েছে। এখানে আমাকে ভোট চাইতে হয় না।”