Barrackpore Metro: ১৬ বছরের জট কাটল, অবশেষে বরাহনগর থেকে ব্যারাকপুরে ছুটবে মেট্রো, কলকাতা পুরনিগমকে ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর

Baranagar-Barrackpore Metro: ২০২৬ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর দেখা গিয়েছে, আটকে থাকা একের পর এক প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে। চিংড়িঘাটা মেট্রোর জট কেটেছে। পিঙ্ক লাইনের মেট্রো নিয়েও বৈঠক, আলোচনা শুরু হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ ১৬ বছর পর পিঙ্ক লাইনের মেট্রোর কাজও শুরু করতে চলেছে শুভেন্দু-সরকার।

Barrackpore Metro: ১৬ বছরের জট কাটল, অবশেষে বরাহনগর থেকে ব্যারাকপুরে ছুটবে মেট্রো, কলকাতা পুরনিগমকে ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর
বরাহনগর-ব্যারাকপুর মেট্রো নিয়ে শুভেন্দুImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Aug 25, 2026 | 8:14 AM

কলকাতা: এবার ব্যারাকপুরেও ছুটবে মেট্রো (Kolkata Metro)। অবশেষে বরাহনগর-ব্যারাকপুর মেট্রো (Baranagar-Barrackpore) প্রকল্পের জট কাটল। বেশ কিছুদিন আগে এই প্রকল্পে কলকাতা পুরনিগমের ছাড়পত্রের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন স্মিতা পাণ্ডে। সেইমতো পিঙ্ক লাইনের এই মেট্রো (Pink Line Metro) প্রকল্পে নো অবজ়েকশন সার্টিফিকেট বা এনওসি (NOC) দিল কলকাতা পুরনিগম (Kolkata Municipality)। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কলকাতা পুরনিগমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন শুভেন্দু অধিকারীর

সোমবার এক্স হ্যান্ডেলে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন,”কলকাতা পুরনিগমের (KMC) তরফে বি.টি. রোড বরাবর বরানগর–ব্যারাকপুর মেট্রো করিডর (পিঙ্ক লাইন)-এর জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (NOC) দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। কলকাতার উত্তর শহরতলিতে দ্রুত গণপরিবহণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলিতে যানজটের চাপ কমবে এবং যাত্রীরা নিরাপদ ও আধুনিক গণপরিবহণ পরিষেবা পাবেন।”

বরাহনগর-ব্যারাকপুর মেট্রো জট

২০১০ সালে প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ বরাহনগর-ব্যারাকপুর মেট্রো করিডরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। সেইসময় রেলমন্ত্রী ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর সেই মেট্রো করডিরের কাজ এগোয়নি। সেইসময় কলকাতা পুরনিগমের তরফে জানানো হয়েছিল বিটি রোডের নীচে একটি ৬০ ইঞ্চি এবং একটি ৪২ ইঞ্চির পাইপলাইন রয়েছে। পলতা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৪০ মিলিয়ন গ্যালন পানীয় জল ওই দুই পাইপ দিয়েই টালা জলাধারে আসে। আশঙ্কা করা হয়েছিল, মেট্রোর কাজে ওই দু’টি পাইপ কোনও ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে উত্তর কলকাতার কয়েক লক্ষ মানুষ পানীয় জল পাবেন না। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে একটি ৬৪ ইঞ্চি পাইপও বসানো হয়। কিন্তু, তারপরেও থমকে যায় কাজ।

২০২৬ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর দেখা গিয়েছে, আটকে থাকা একের পর এক প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে। চিংড়িঘাটা মেট্রোর জট কেটেছে। পিঙ্ক লাইনের মেট্রো নিয়েও বৈঠক, আলোচনা শুরু হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ ১৬ বছর পর পিঙ্ক লাইনের মেট্রোর কাজও শুরু করতে চলেছে শুভেন্দু-সরকার। পাইপলাইন নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, সেই বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, “শহরের অত্যাবশ্যক পানীয় জল সরবরাহ ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ রেখে মেট্রো প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে একটি নতুন পৃথক জল পরিবহণ পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সমন্বিত উদ্যোগ ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।”

বরাহনগর-ব্যারাকপুর মেট্রো রুট

পিঙ্ক লাইন রুটের এই মেট্রো মাথার উপর দিয়েই ছুটবে। মাটির নীচে প্রবেশ করবে না। স্টেশনের সংখ্যা থাকছে ১১ টি। মূলত, বরাহনগর, কামারহাটি, আগরপাড়া, পানিহাটি,সুখচর, সোদপুর , খড়দহ, টাটা গেট, টিটাগড়, তালপুকুর এবং ব্যারাকপুর স্টেশনে দাঁড়াবে মেট্রো।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us