Hingalganj BJP: রেখা পাত্রের জয়, ন্যাড়া হচ্ছেন একের পর এক বিজেপি কর্মী! কেন?

BJP Workers Tonsure Heads: ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু কালীতলার ২৫০ নম্বর বুথ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে রাজনৈতিক সংঘর্ষের জেরে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন বিজেপি কর্মী নিতাই পদ রায় ও তাঁর পুত্র দীনবন্ধু রায়। প্রাণ বাঁচাতে সেদিন তাঁদের নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নিতে হয়েছিল।

Hingalganj BJP: রেখা পাত্রের জয়, ন্যাড়া হচ্ছেন একের পর এক বিজেপি কর্মী! কেন?
ন্যাড়া হচ্ছেন বিজেপি কর্মীরাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

May 10, 2026 | 12:54 PM

উত্তর ২৪ পরগনা:  সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রের জয় এবং রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের আবহে এক অভিনব দৃশ্য  হেমনগরের কালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পারঘুমটি এলাকায়। এ যেন মানত পূরণ! দীর্ঘ দেড় দশকের ‘মানত’ পূরণ করতে এবং তৃণমূলের পরাজয়ে উল্লাস প্রকাশ করে মাথা মুণ্ডন করলেন এলাকার একদল বিজেপি কর্মী-সমর্থক। জয়ের উল্লাসে সর্বত্র চলছে ঝালমুড়ি খাওয়া, লাড্ডু বিলি, মুখমিষ্টি, কিন্তু আক্ষরিক অর্থেই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা যে লড়াই চালিয়েছেন, তা স্বার্থক হওয়ায় মাথা ন্যাড়া হচ্ছেন।

ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু কালীতলার ২৫০ নম্বর বুথ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে রাজনৈতিক সংঘর্ষের জেরে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন বিজেপি কর্মী নিতাই পদ রায় ও তাঁর পুত্র দীনবন্ধু রায়। প্রাণ বাঁচাতে সেদিন তাঁদের নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। সেই কঠিন সময়েই নিতাই সংকল্প করেছিলেন, যেদিন এলাকায় বিজেপির জয় হবে এবং রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে, সেদিন তিনি মস্তক মুণ্ডন করে কালীপুজো দেবেন।

দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার পর সেই আকাঙ্ক্ষিত জয় আসতেই পারঘুমটি মিতালী সংঘের মাঠে উৎসবের মেজাজ তৈরি হয়। ঢাকের আওয়াজ আর উলুধ্বনির মাঝে নিতাইবাবুসহ একাধিক সমর্থক ন্যাড়া হয়ে মায়ের পুজো দেন। নিতাই পদ রায় আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, এই জয় দীর্ঘ সংগ্রামের জয়। সুন্দরবনের মানুষ আজ সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশের আশায় বুক বাঁধছেন। সেই আনন্দেই আজ মায়ের কাছে মানত পূরণ করলাম।”

এলাকায় গেরুয়া শিবিরের এই অকাল দিওয়ালিতে খুশির হাওয়া কর্মীদের মধ্যে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই ঘটনা কেবল এক ব্যক্তির মানত পূরণ নয়, বরং সুন্দরবনের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও বঞ্চনার অবসরের প্রতীক।

Follow Us