
কোচবিহার: গুরুতর আহত এবিভিপি (ABVP) কর্মীরা। কলেজের ভিতর ছাত্র সংঘর্ষ। আর তারপরই জখম এবিভিপির ছাত্ররা। এই ঘটনাকে কেন্দ্রকে তপ্ত কোচবিহারের আচার্য ব্রজেন্দ্র নারায়ণ শীল (এবিএন শীল) হস্টেল চত্বর। অভিযোগ, শনিবার দুপুরে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-র সদস্যরা নতুন সদস্য সংগ্রহের উদ্দেশে গিয়েছিলেন। কলেজে গেলে হস্টেলের একদল ছাত্রের সঙ্গে তাঁদের বচসা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই বচসা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। ABVP পরিষ্কার জানিয়েছে, তাঁর জোর করে কোনও সদস্যদের যোগ দিতে বলেনি।
এবিভিপির অভিযোগ, হস্টেলের ছাত্ররাই তাঁদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় এবিভিপির সদস্য অঙ্গত অধিকারী গুরুতর আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সার্জিক্যাল বিভাগে চিকিৎসাধীন।
অন্যদিকে, সূত্রের খবর, এই সংঘর্ষে হস্টেলের প্রায় ২৬ জন ছাত্রও আহত হয়েছেন। তবে হস্টেলের ছাত্রদের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এবিভিপির আরও অভিযোগ, কলেজে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সদস্যদের ওপরও হস্টেলের কয়েকজন ছাত্র চড়াও হয়। খবর পেয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ ও হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ এবং কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ABVP-র এক সদস্য বলেন, “ভারতকে টুকরো করার চেষ্টা করছে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি। তবে আমরা রাষ্ট্র পুনর্নিমাণের কথা বলি। আমাদের কার্যকর্তাকে মারধর করা হয়েছে। আমরা এখন শাসকদলে। আমরা কোনওদিনই কলেজে অশান্তির পক্ষে নই। কিন্তু যেভাবে মারা হয়েছে আমরা কঠোর ভাবে এর উত্তর দেব।এরা কেউ ছাড় পাবে না। যাঁরা ভারতকে ভাগের চেষ্টা করে তাঁদের বুঝিয়ে দেব।”
রিয়া নমোদাসের রিপোর্ট