
বালুরঘাট: অন্নপূর্ণা যোজনার দ্বিতীয় দফার টাকা ঢুকে গিয়েছে। এক কোটিরও বেশি উপভোক্তা ইতিমধ্যেই তিন হাজার টাকা করে পেয়েছেন। তবে অনেক মহিলা রয়েছেন যাঁদের আবেদন ‘রিজেক্টেড’ দেখাচ্ছে। এই আবহের মধ্য়ে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করল রাজ্য সরকার। কীভাবে অফলাইনে নথি ভেরিফিকেশন করবেন, কোন-কোন নথি তাঁরা দেখবেন সবটাই খতিয়ে দেখবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।
অন্নপূর্ণা যোজনার যোগ্য ও অযোগ্যদের চিহ্নিত করতে হবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। তাঁদের উপরই রয়েছে দায়িত্ব। নথি ভেরিফিকেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের। সরকারি এমন নির্দেশিকার পরই সোমবার জেলার প্রতিটি ব্লকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।সেই মতো আজ বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয় ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
তবে এদিন কয়েকজন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিজেদের কিছু অসুবিধা ও নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন বলে অভিযোগ। রাজ্যের অন্যপ্রান্তে যেভাবে অন্নপূর্ণা যোজনা কাজ করতে গিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সরকারি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই জায়গা থেকে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বালুরঘাটের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। আর তাঁদের এই অভিযোগ পাওয়ার পরই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার জেলাশাসক বালা সুব্রমানিয়ান টি। পাশাপাশি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সঙ্গে ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকরা সব রকম যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানানো হয়েছে।