
শিলিগুড়ি: হাতে তিন থেকে চার দিনের ছুটি থাকলে এখনও অনেক বাঙালির পছন্দের ডেস্টিনেশন কিন্তু সেই দীপুদা। দিঘা, পুরী ও দার্জিলিং (Darjeeling)। দিঘার সঙ্গে এখন মন্দারমনিতেও ভিড় বাড়ছে। আর গরমে যদি কোথাও ঘোরার প্ল্যান হয়, তাতে বাঙালি সাধারণত এগিয়ে রাখে তাঁদের সাধের দার্জিলিংকেই। পাহাড়ের রানি দার্জিলিং। হিমালয়ের কোলে শৈলশহর। দার্জিলিং মানেই পাহাড়ি আমেজ, চা বাগান, পাইন গাছের সারি, কাঞ্চনজঙ্ঘার হাতছানি। সেইসঙ্গে হেরিটেজ টয়ট্রেন (Darjeeling Toy Train)। পাহাড়ের কোলে বছরের পর বছর ধরে ছুটে চলেছে। শৈলরানির ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। দার্জিলিঙে টয় ট্রেনের চাহিদা সবসময়ই তুঙ্গে থাকে। তবে, এবার সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে দার্জিলিঙের টয়ট্রেন।
দার্জিলিঙে টয়ট্রেনের জয় রাইডের জন্য মুখিয়ে থাকেন আট থেকে আশি। তবে, জানা গিয়েছে, চলতি বছর টয়ট্রেনের টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে ছিল। ফলে এবার টয়ট্রেনে আয়ও বেড়েছে। শুধু তাই নয়, এবার রেকর্ড আয় করেছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। হিমালয়ান রেলওয়ের ডিরেক্টর জানিয়েছেন, চলতি বছর মে মাসে রেকর্ড টিকিট বিক্রি হয়েছে। যা গত পাঁচ বছরের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। চলতি বছর মে মাসে ডিএইচআর ৩৯৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকার আয় করেছে। ২০২৫ সালে সেই আয় ছিল ৩৫৮ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা।
গত পাঁচ বছরে মে মাসে আয়ের হিসেবও দেওয়া হয়েছে। কোন সালে কত আয় ছিল, কোন বছরে আয় বেড়েছে, সব তথ্য দেওয়া হয়েছে। যেমন
দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, যাত্রীদের চাহিদা অত্যন্ত বেশি থাকায়, চলতি মাসেও ডিএইচআর-এর টিকিট বিক্রির গতি অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমান বুকিং ট্রেন্ড ও ট্র্যাফিক প্যাটার্ন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনে আয় ৩৭০ লক্ষের বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে পরিষেবার মান এবং পর্যটকদের অভিজ্ঞতাকে ক্রমাগত উন্নততর করে তোলার চেষ্টা করবে। ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্যবাহী এই রেলওয়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে।