Heavy Rainfall in North Bengal: টানা বৃষ্টিতে চিন্তা বাড়ছে উত্তরবঙ্গে, মালবাজারে জলমগ্ন জাতীয় সড়ক, চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

National Highway Waterlogged: গত কয়েকদিনের একটানা বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি ঝোরা ও নালাগুলিতে জলস্তর হু হু করে বাড়তে থাকে। এলাকার বাসিন্দারা দুষছেন নিকাশি ব্যবস্থাকেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জলযন্ত্রণার অন্যতম কারণ হলো রাজার চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় একটি নতুন সেতুর চলমান নির্মাণকাজ।

Heavy Rainfall in North Bengal: টানা বৃষ্টিতে চিন্তা বাড়ছে উত্তরবঙ্গে, মালবাজারে জলমগ্ন জাতীয় সড়ক, চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ
চিন্তা বাড়াচ্ছে টানা বৃষ্টি Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jun 06, 2026 | 11:51 AM

মালবাজার: দক্ষিণবঙ্গ যখন তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে, ঠিক তখনই টানা বৃষ্টিতে ভাসছে উত্তরবঙ্গ। বর্ষার শুরুতেই ভারী বর্ষণের জেরে জলপাইগুড়ি জেলার মাল ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা এখন জলমগ্ন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, একেবারে রাস্তার উপর দিয়ে বইছে জলের তীব্র স্রোত। এর ফলে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন রাজার চা বাগানের কেশর লাইনের বাসিন্দারা। শুক্রবার বিকেলের পর থেকে ধূপগুড়ি-সহ গোটা ডুয়ার্স জুড়ে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে জলঢাকা, ডুডুয়া, ডায়না এবং আংরাভাসা নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নিউ মাল থেকে মালবাজারগামী জাতীয় সড়কের পার্শ্ববর্তী রাজার চা বাগানের কেশর লাইনের। টানা বৃষ্টিতে চা বাগানের মাঠ, শ্রমিকদের আবাসন এবং জাতীয় সড়কের একাংশ সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গিয়েছে। জাতীয় সড়ক জলমগ্ন হয়ে পড়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। একপ্রকার বাধ্য হয়েই চরম ঝুঁকি নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

গত কয়েকদিনের একটানা বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি ঝোরা ও নালাগুলিতে জলস্তর হু হু করে বাড়তে থাকে। এলাকার বাসিন্দারা দুষছেন নিকাশি ব্যবস্থাকেই। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জলযন্ত্রণার অন্যতম কারণ হলো রাজার চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় একটি নতুন সেতুর চলমান নির্মাণকাজ। যান চলাচলের সুবিধার্থে সেখানে একটি অস্থায়ী ডাইভারশন তৈরি করা হয়েছে। কিন্কু ডাইভারশনের কারণে জল স্বাভাবিকভাবে বের হতে না পেরে আশপাশের এলাকাগুলি ভাসিয়ে দিচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষার আগে এই নির্মাণকাজের জন্য ঠিকভাবে জলনিকাশির ব্যবস্থা করা হলে আজকের এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা এই আশঙ্কার কথা জানালেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

Follow Us