FIR Against Mamata: ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফোন করে আমায় বলেছিলেন…’ ভরা রাস্তায় বসে দেশবিরোধী মন্তব্য, দেশের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ, মমতার বিরুদ্ধে FIR

Siliguri Cyber Crime: তিনি বলেন, "বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে STF গ্রেফতার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। অন্যদেশের কথা বলছি না, আমি যে পয়েন্ট বলছি ওরা মেঘালয় দিয়ে বাংলায় আসে। এখানে আসার পর আমাদের STF ধরে। হোম মিনিস্টার নিজে বলছেন...এতদিন বলিনি আজ অত্যাচারের শেষ সীমায় গেছে বলে বললাম।

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 04, 2026 | 11:25 AM

শিলিগুড়ি: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে আবারও FIR দায়ের। উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার জন্য শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে বাংলাদেশের ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে জড়িয়ে উস্কানিমূলক কথা। আর তারপরই শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের। এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ রাজনৈতিক মহলের একাংশ। পদ থেকে সরতেই কীভাবে দেশের অন্দরের তথ্য ফাঁস কীভাবে করলেন উঠছে প্রশ্ন।

কে এই অভিযোগ করেছেন? কী অভিযোগ করেছেন?

আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায় মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। তাঁর অভিযোগ, গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে খুন হন বিতর্কিত ওসমান হাদি। হাদির হত্যাকারীরা গত জানুয়ারিতে মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এলে দুজনকে গ্রেফতার করে রাজ্যের এসটিএফ। এরপর এই নিয়ে ২ জুনের ভরা সভা থেকে মমতা নাম উল্লেখ না করলেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে খুন হলেও কারা জড়িত তিনি জানেন। নাম জড়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকেরও। এতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। সেই কারণেই রিঙ্কি শিলিগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Tv9 বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী বললেন রিঙ্কি? 

রিঙ্কি বলেন, “উনি মুখ্য়মন্ত্রী থাকাকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যাই কথা হোক, সেটা এখন বাংলাদেশের একটা হত্যাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে সংগঠিত হত্যা বলে চালাচ্ছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করলেন। বিশ্বদরবারে ভারতের মাথা নত করলেন। বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেন। পদে আসার সময় শপথ নিয়েছিলেন যে উনি কোনওদিন দেশের গোপনীয়তা বজায় রাখবেন। যেই না পদ চলে গেছে অমনি উনি মৌলবাদীদের উস্কে দিলেন।

মমতা কী মন্তব্য করেছিলেন?

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে STF গ্রেফতার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। অন্যদেশের কথা বলছি না, আমি যে পয়েন্ট বলছি ওরা মেঘালয় দিয়ে বাংলায় আসে। এখানে আসার পর আমাদের STF ধরে। হোম মিনিস্টার নিজে বলছেন…এতদিন বলিনি আজ অত্যাচারের শেষ সীমায় গেছে বলে বললাম। উনি বললেন…আপনি বাংলার পুলিশকে বলে দিন এই কথা বাইরে যেন না বলে। এটা দেশের জন্য। কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, কার কার নাম বেরিয়েছিল…আমি সব জানি। আমার হৃদয় সত্য ভান্ডার।”

মমতার বিরুদ্ধে কোন কোন ধারা লাগু হয়েছে?

১৫২- দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)

১৫৩-দাঙ্গা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উস্কানি, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো

১৫৩ এ- ধর্ম, জাতি, ভাষা, বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, হিংসা, বা ঘৃণা ছড়ানো

১৯১ ও ১৯২ ধারা- দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা

১৯৬ ধারা-ধর্ম,বর্ণ,ভাষা বা অঞ্চলের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ ছড়ানো এবং জনসম্প্রীতি বিনষ্ট করলে

৩৫১- কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে বা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার চেষ্টা

৩৫২-ইচ্ছাকৃত ভাবে শান্তি ভঙ্গ করার উদ্দেশ্য

বিশেষজ্ঞরা কে কী বলছেন?

রাজা গোপাল ধর চক্রবর্তী, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ বলেন, “ধরনা মঞ্চ থেকে যে উক্তি করেছেন সাংঘাতিক। বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে দেওয়া। আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা। এতে তো হিন্দু আক্রমণ বাড়বে।”

শিলিগুড়ি: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে আবারও FIR দায়ের। উস্কানিমূলক বক্তব্য রাখার জন্য শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের সভা থেকে বাংলাদেশের ওসমান হাদি হত্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে জড়িয়ে উস্কানিমূলক কথা। আর তারপরই শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের। এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ রাজনৈতিক মহলের একাংশ। পদ থেকে সরতেই কীভাবে দেশের অন্দরের তথ্য ফাঁস কীভাবে করলেন উঠছে প্রশ্ন।

কে এই অভিযোগ করেছেন? কী অভিযোগ করেছেন?

আইনজীবী রিঙ্কি সিং চট্টোপাধ্যায় মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। তাঁর অভিযোগ, গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে খুন হন বিতর্কিত ওসমান হাদি। হাদির হত্যাকারীরা গত জানুয়ারিতে মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এলে দুজনকে গ্রেফতার করে রাজ্যের এসটিএফ। এরপর এই নিয়ে ২ জুনের ভরা সভা থেকে মমতা নাম উল্লেখ না করলেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে খুন হলেও কারা জড়িত তিনি জানেন। নাম জড়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকেরও। এতে দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। সেই কারণেই রিঙ্কি শিলিগুড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Tv9 বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কী বললেন রিঙ্কি? 

রিঙ্কি বলেন, “উনি মুখ্য়মন্ত্রী থাকাকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যাই কথা হোক, সেটা এখন বাংলাদেশের একটা হত্যাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশে সংগঠিত হত্যা বলে চালাচ্ছেন। বাংলাদেশ ও ভারতের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করলেন। বিশ্বদরবারে ভারতের মাথা নত করলেন। বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেন। পদে আসার সময় শপথ নিয়েছিলেন যে উনি কোনওদিন দেশের গোপনীয়তা বজায় রাখবেন। যেই না পদ চলে গেছে অমনি উনি মৌলবাদীদের উস্কে দিলেন।

মমতা কী মন্তব্য করেছিলেন?

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে STF গ্রেফতার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। অন্যদেশের কথা বলছি না, আমি যে পয়েন্ট বলছি ওরা মেঘালয় দিয়ে বাংলায় আসে। এখানে আসার পর আমাদের STF ধরে। হোম মিনিস্টার নিজে বলছেন…এতদিন বলিনি আজ অত্যাচারের শেষ সীমায় গেছে বলে বললাম। উনি বললেন…আপনি বাংলার পুলিশকে বলে দিন এই কথা বাইরে যেন না বলে। এটা দেশের জন্য। কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, কার কার নাম বেরিয়েছিল…আমি সব জানি। আমার হৃদয় সত্য ভান্ডার।”

মমতার বিরুদ্ধে কোন কোন ধারা লাগু হয়েছে?

১৫২- দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)

১৫৩-দাঙ্গা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উস্কানি, জাতি ও ধর্মের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো

১৫৩ এ- ধর্ম, জাতি, ভাষা, বা জন্মস্থানের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, হিংসা, বা ঘৃণা ছড়ানো

১৯১ ও ১৯২ ধারা- দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা

১৯৬ ধারা-ধর্ম,বর্ণ,ভাষা বা অঞ্চলের ভিত্তিতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ ছড়ানো এবং জনসম্প্রীতি বিনষ্ট করলে

৩৫১- কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে বা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার চেষ্টা

৩৫২-ইচ্ছাকৃত ভাবে শান্তি ভঙ্গ করার উদ্দেশ্য

বিশেষজ্ঞরা কে কী বলছেন?

রাজা গোপাল ধর চক্রবর্তী, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ বলেন, “ধরনা মঞ্চ থেকে যে উক্তি করেছেন সাংঘাতিক। বাংলাদেশকে ভারতের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে দেওয়া। আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা। এতে তো হিন্দু আক্রমণ বাড়বে।”

Follow Us