
বারাসত: গতকাল দত্তপুকুরে হজরত খুন-কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত জলিল পুলিশকে জেরায় জানান, চুরির সোনার ভাগাভাগি নিয়ে ঠকাচ্ছিল হজরত, আর সেই রাগেই তাঁকে খুন করেছিল সে। কিন্তু দিন বদলাতে, বদল বয়ান। হজরত খুনে ‘আসল সত্যিটা’ বলেই ফেলল সে।
১৫ দিন ধরে চলছে তদন্ত। এখনও হজরত লস্করের কাটা মুণ্ডু খুঁজে পায়নি পুলিশ। সম্ভবত, আজ সেই কাটা মুণ্ডু কাণ্ডের সকল জট খুলে ফেলতে পারে পুলিশ। ইতিমধ্যেই, জলিলের দেওয়া বয়ান অনুযায়ী, তার বাড়ির সামনের পুকুরে ডুবুরি নামাতে চলেছে তদন্তকারীরা। সেখানেই মিলে যেতে পারে হজরতের কাটা মাথা।
আর সেই তল্লাশি শুরু হওয়ার আগেই হজরত খুনে প্রকাশ্য়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জলিলেল স্ত্রী সুফিয়া খাতুনের সম্পর্ক ছিল হজরতের। সেই সূত্রেই জলিলের অনুপস্থিতিতে সুফিয়ার সঙ্গে ঘনঘনই দেখা করতে আসতেন হজরত। খুনের রাতে সুফিয়ার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। আর তারপরই ঘটে বিপত্তি।
পুলিশি জেরায় জলিল স্বীকার করেছেন, সুফিয়ার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক ছিল হজরতের। যা কোনও মতেই মেনে নিতে পারছিলেন না জলিল। বারবার হজরতকে বোঝালেও সে নাকি বড় নাছোড়বান্দা ছিল। একবার, তার স্ত্রীয়ের উপর যৌন অত্য়াচারও করে সে। ওষুধ খেয়ে সম্পর্কে লিপ্ত হত হজরত। এরপরই তাকে ‘সরিয়ে দিতে’ কাজে লেগে পড়ে জলিল। তাতে সঙ্গী হয় তার স্ত্রীও।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হজরতকে খুনের পর তার কাটা মুণ্ডু সরাতে সুফিয়াই জলিলকে সাহায্য করেছিল। এমনকি শুধু মাথাই নয়। রাগের বশে যৌনাঙ্গে কেটে দিয়েছিল জলিল।