
আরামবাগ: ৭২ জনের মেধাতালিকায় হুগলির জয়জয়কার। তৃতীয় থেকে দশম, সব স্থানেই হুগলির একাধিক পড়ুয়ার নাম। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জবী ভট্টাচার্য বলছেন ৭২ জনের মধ্যে শুধু হুগলিরই ১৪ জন পড়ুয়া রয়েছে। এরমধ্যে আরামবাগ হাইস্কুলের রাজশ্রী অধিকারী রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫। একই স্কুলের ছাত্র প্রান্তিক গঙ্গোপাধ্যায়। মেধাতালিকায় পঞ্চম স্থানে।
ষষ্ঠস্থানে রয়েছে চন্দননহর অরবিন্দ হাইস্কুলের রৌনক গারাইন। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯২। একই পজিশন মুক্তারপুর হাইস্কুলের ছাত্র আরাফত হোসেনেরও। তাঁর বাড়ি মালদহের দক্ষিণ আলিনগরে। সপ্তম স্থানে সৈয়দ মহম্মদ তামজিদ। রহিমপুর নবগ্রাম হাইস্কুলের ছাত্র। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। শতাংশের বিচারে যা ৯৮.২ শতাংশ। এই পজিশনে গোঘাট হাইস্কুলের অঙ্কন নন্দী। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। চাতরা নন্দলাল ইনস্টিটিউশনের তন্ময় হালদারও পেয়েছে একই নম্বর।
অষ্টম স্থানে রয়েছে কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মিশনের রাজদীপ শাসমল। প্রাপ্ত নম্বর ৪৯০। একই নম্বর পেয়ে একই পজিশনে অভ্রদীপ বেরা। বাড়ি বৈদ্যবাটিতে। মাহেশ রামকৃষ্ণ আশ্রমের ছাত্র। এই পজিশনে ডানকুনির শ্রীরামকৃষ্ণ শিশুতীর্থ হাইস্কুলের ছাত্রী শ্রেষ্ঠা মুখোুাধ্যায়। নবম স্থানে মাহেশ শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যালয়ের জিষ্ণু ঘোষ। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৯। একই নম্বর পেয়ে একই জায়গায় গোঘাটের অনুর হাইস্কুলের সপ্তর্ষি পাঁজা। দশম স্থানেও আবার আরামবাগ হাইস্কুলের জয়জয়কার। এই স্কুলের সর্বজিত সাহা পেয়েছে সর্বজিত সাহা। তাঁর বাড়ি গোঘাটে। এই জায়গায় একই নম্বর পেয়ে রয়েছে তারকেশ্বর নূত বিহারী পাল চৌধুরী হাইস্কুলের ছাত্রী অদৃশা সামন্ত।