
চন্দননগর: প্রেমের ফাঁদে ফেলে তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। চন্দননগরে গ্রেফতার চার যুবক। ঘটনার সূত্রপাত ১ বছর আগে হলেও সদ্য অত্যাচার তা চরমে উঠতেই সবটাই প্রকাশ্যে আসে। তারপরই পুলিশে অভিযোগ। অভিযোগ পেতেই অ্যাকশন নেয় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে চুঁচুড়ায় একটি সেলুন রয়েছে মূল অভিযুক্তের। ওই এলাকারই ১ তরুণীর সঙ্গে বছরখানেক আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাঁর। যদিও সেই সময় যুবকের আসল রূপ বুঝতে পারেনি ওই তরুণী। সেই সময় সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে কলেজে পা রেখেছে। অভিযোগ কিছু মাস প্রেমের নাটক করার পর জোর করে তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে ওই যুবক। কাউকে কিছু যাতে না বলে তার জন্য ভয়ও দেখায়।
এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ, এরপর ওই যুবকের বন্ধুরাও মাঠে নামে। একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। সেলুনে, বাড়ির গ্যারাজে, পার্কে নিয়ে অত্যাচার চলে বলে অভিযোগ। গত রবিবার তরুণীর শরীরে হাতে একাধিক আঘাত দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। প্রতিবেশীরা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে অত্যাচারের ঘটনা। এরপরই চন্দননগর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের হয়। অভিযোগ পেতেই পরপর মূল অভিযুক্ত সহ বাকিদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন চন্দননগর থানার সামনে জড়ো হয় একটা সমাজসেবী সংগঠনের সদস্যরা। অভিযুক্তদের কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তির দাবি তোলে।
প্রতিবেশী এক মহিলা বলছেন, “মেয়েটা পড়াশোনাতে খুব ভালো ছিল। রীতিমতো মেধাবী। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পর সায়েন্স নিয়ে পড়ছিল। গত এক বছর আগে থেকেই ঘটনাটি শুরু হয়েছিল। তখনই ছেলেটার সঙ্গে মেয়েটার সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু ছেলেটা জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করে। ছেলেটা তো ওর বন্ধুদের দিয়েও মেয়েটার উপর অত্যাচার করে। কখনও বাড়িতে, বাড়ির গ্যারাজে, বিভিন্ন পার্কে নিয়ে গিয়ে জোর করে ভয় দেখিয়ে অত্য়াচার করে। ৭ থেকে ৮ বার ওর সঙ্গে এমন হয়। ভয় দেখিয়েই ওকে চুপ করে রাখে। পরশু ওকে যেভাবে অত্য়াচার করেছে সেটা মেডিক্যাল টেস্টে ধরা পড়েছে। মেয়েটার গায়ে অনেক ক্ষতও রয়েছে। রক্তও বের হচ্ছে।”