
আরামবাগ: আরামবাগের মানুষদের জন্য বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের (West Bengal Government)। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের (Ghatal Masterplan) ধাঁচেই আসছে আরামবাগ মাস্টারপ্ল্যান (Arambagh Masterplan)। এবার বন্যা রুখতে মাস্টারস্ট্রোক শুভেন্দু-সরকারের। বৃহস্পতিবার আরামবাগে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বৈঠকের পরই পুরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ (Biman Ghosh) জানান, ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরামবাগের জন্য আলাদাভাবে মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে। দ্রুত কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার আরামবাগ মহকুমা শাসকের অফিসে মহকুমা শাসক, হুগলি জেলা শাসক-সহ সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন সেচ দফতরের আধিকারিকরাও। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে সাংবাদিক সম্মেলন হয়নি। আজ রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে শুভেন্দুর। সেই কারণে তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করেননি। আরামবাগ থেকেই সোজা এয়ারপোর্টের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৈঠকে কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন পুরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “আমরা মূলত চেয়েছিলাম আরামবাগ মাস্টারপ্ল্যান হোক। বন্যা রোখার জন্য। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন, প্রায় ১২০০ কোটি টাকার ব্যয়ে আরামবাগ মাস্টার প্ল্যান হবে। ডিসেম্বর মাস থেকে কাজ শুরু হবে। সেখানে ২০২৭ সালের মধ্যে এটা প্রস্তুত হয়ে যাবে।”
বিজেপি বিধায়ক বলেন, “আরামবাগ জেলা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন খুব তাড়াতাড়ি আপডেট হচ্ছে। বিভিন্ন ব্রিজকে কংক্রিট করার কথা বলে গিয়েছেন। রামমোহন রায়ের জন্মস্থানকে সংস্কার থেকে আরামবাগ সেতু নিয়ে দ্রুত কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন।” এছাড়া কোন দফতরে কেমন কাজ হচ্ছে, বিশেষ করে সেচ দফতরকে কড়াভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন। মাস্টারপ্ল্যানের ঘোষণা হতেই খুশি আরামবাগবাসী। সাধারণ মানুষ জানাচ্ছেন, আরামবাগ মাস্টারপ্ল্যানের ভাবনা খুবই ভালো। এটা চালু হলে খুবই সুবিধা হবে।