Hooghly: বিবাদ থেকে বেধড়ক মার, প্রাণ গেল ব্যক্তির, তারপর যা হল গোঘাটে…

Hooghly drainage dispute death: সৌমেন পাল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "শ্যামল দের স্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত। বাড়িতে তাঁর বয়স্ক মা রয়েছেন। আর কেউ নেই। এখন তাঁদের কে দেখবে? অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। আর ওই পরিবার যাতে আর্থিক সমস্যায় না পড়ে, সেজন্য কিছু ব্যবস্থা করতে হবে।"

Hooghly: বিবাদ থেকে বেধড়ক মার, প্রাণ গেল ব্যক্তির, তারপর যা হল গোঘাটে...
খুনের অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 01, 2026 | 6:45 PM

হুগলি: ধান জমির নিকাশির জল পাশ করানোকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর মারে ব্যক্তির মৃত্যু। সেই অভিযোগকে ঘিরে উত্তেজনা হুগলির গোঘাটে। অভিযুক্তর বাড়ি ঘেরাও করে চলল ভাঙচুর। এমনকি অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করার চেষ্টা করে উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার দুপুরে উত্তপ্ত হয় এলাকা। আরামবাগ এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।

ঘটনাটি গোঘাটের কামারপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আনুড় এলাকার। মৃতের নাম শ্যামল দে। তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে চাষের জমির নিকাশির জল পাশ হওয়া নিয়ে প্রতিবেশী সুশান্ত মণ্ডল ও তাঁর ছেলে জয়ন্ত মণ্ডলের সঙ্গে বিবাদ বাধে শ্যামলের। সুশান্ত ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে জয়ন্তকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ ওঠে। রাতেই জয়ন্তকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শনিবার কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। কলকাতা নিয়ে যাওয়ার পথে দুপুরেই তাঁর মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছতেই স্থানীয় বাসিন্দারা একজোট হয়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে চড়াও হন। লাঠি বাঁশ নিয়ে ভাঙচুর চালানো হয় অভিযুক্তের বাড়িতে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়েই প্রথমে গোঘাট থানার পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। ক্রমশই এলাকা উত্তপ্ত থাকায় আরামবাগ এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও ব়্যাফ এলাকায় পৌঁছয়। তবে পুলিশের সামনেই গ্রামবাসীরা মারের পাল্টা মারের দাবি জানান। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সৌমেন পাল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “শ্যামল দের স্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত। বাড়িতে তাঁর বয়স্ক মা রয়েছেন। আর কেউ নেই। এখন তাঁদের কে দেখবে? অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। আর ওই পরিবার যাতে আর্থিক সমস্যায় না পড়ে, সেজন্য কিছু ব্যবস্থা করতে হবে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us