Hooghly: গাড়িতে মদ, সেক্স টয়, কন্ডোম! চালান পানশালাও, ‘বড়বাবুর কীর্তি’ খুঁজতে চন্ডীতলায় হাজির পুলিশের স্পেশ্যাল টিম

Hooghly: তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। চণ্ডীতলা থানার আইসি-র শরীর থেকে যে গুলি পাওয়া গিয়েছে, তা সার্ভিস রিভলবার থেকে বের হয়নি। উদ্ধার হয়েছে ৭এমএম গুলির খোল। একই সঙ্গে গাড়ি থেকে মদ, সেক্স টয়, কন্ডোমও পাওয়া যায় বলে খবর।

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 22, 2025 | 8:59 AM

সনৎ মাঝি ও শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তীর রিপোর্ট

হুগলি: চন্ডীতলা থানায় হাজির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম! এদিন সন্ধ্যায় এক ঘণ্টার বিশেষ বৈঠক হয় থানায়। টিমে আছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষানু রায়, চন্ডীতলার এসডিপিও তমাল সরকার, সার্কেল ইন্সপেক্টর সন্দীপ গাঙ্গুলি-সহ এক মহিলা পুলিশ অফিসার। এমনটাই খবর সূত্রের। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়ন্ত পাল যেহেতু ইন্সপেক্টর ছিলেন তাই শৃঙ্খলার প্রশ্নে যা করার পুলিশ বিভাগই করবে। ঘটনার তদন্তে জয়ন্ত পালের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে। পাশাপাশি দোষ প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁকে। প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে হাওড়ার ঘোষপাড়া পেট্রোল পাম্পের কাছে গুলিবিদ্ধ হন চন্ডীতলা থানার ওসি। সেখানে একজন মহিলার উপস্থিতি ছিল। সেই মহিলা জয়ন্ত পালের পূর্ব পরিচিত বলে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জলঘোলাও হয় বিস্তর। যদিও ওই ‘রহস্য়ময়ীর’ পরিবারের সদস্যদের দাবি, জয়ন্তর তাঁদের মেয়ের কোনও পরিচিতিই ছিল না। 

তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। চণ্ডীতলা থানার আইসি-র শরীর থেকে যে গুলি পাওয়া গিয়েছে, তা সার্ভিস রিভলবার থেকে বের হয়নি। উদ্ধার হয়েছে ৭এমএম গুলির খোল। একই সঙ্গে গাড়ি থেকে মদ, সেক্স টয়, কন্ডোমও পাওয়া যায় বলে খবর। মাঝরাতে নিজের জেলা ছেড়ে অন্য জেলায় কেন গিয়েছিলেন, কোন কাজে গিয়েছিলেন তা নিয়ে বেড়েছে ধোঁয়াশা। একজন পুলিশ অফিসার নিজের এলাকা ছেড়ে অন্য জেলায় গেলে ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন। এক্ষেত্রে জয়ন্ত সেটা করেছিলেন কিনা তা দেখার পাশাপাশি যে পিস্তল থেকে গুলি চলেছে সেটার সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করেছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম, এমনটাই খবর সূত্রের। সূত্রের আরও খবর, শেযারে পানশালা চালান বড়বাবু। সেই পানশালায় যান অন্য জেলার বড়বাবুরাও। 

সনৎ মাঝি ও শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তীর রিপোর্ট

হুগলি: চন্ডীতলা থানায় হাজির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম! এদিন সন্ধ্যায় এক ঘণ্টার বিশেষ বৈঠক হয় থানায়। টিমে আছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কৃষানু রায়, চন্ডীতলার এসডিপিও তমাল সরকার, সার্কেল ইন্সপেক্টর সন্দীপ গাঙ্গুলি-সহ এক মহিলা পুলিশ অফিসার। এমনটাই খবর সূত্রের। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়ন্ত পাল যেহেতু ইন্সপেক্টর ছিলেন তাই শৃঙ্খলার প্রশ্নে যা করার পুলিশ বিভাগই করবে। ঘটনার তদন্তে জয়ন্ত পালের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হবে। পাশাপাশি দোষ প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁকে। প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাতে হাওড়ার ঘোষপাড়া পেট্রোল পাম্পের কাছে গুলিবিদ্ধ হন চন্ডীতলা থানার ওসি। সেখানে একজন মহিলার উপস্থিতি ছিল। সেই মহিলা জয়ন্ত পালের পূর্ব পরিচিত বলে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে জলঘোলাও হয় বিস্তর। যদিও ওই ‘রহস্য়ময়ীর’ পরিবারের সদস্যদের দাবি, জয়ন্তর তাঁদের মেয়ের কোনও পরিচিতিই ছিল না। 

তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। চণ্ডীতলা থানার আইসি-র শরীর থেকে যে গুলি পাওয়া গিয়েছে, তা সার্ভিস রিভলবার থেকে বের হয়নি। উদ্ধার হয়েছে ৭এমএম গুলির খোল। একই সঙ্গে গাড়ি থেকে মদ, সেক্স টয়, কন্ডোমও পাওয়া যায় বলে খবর। মাঝরাতে নিজের জেলা ছেড়ে অন্য জেলায় কেন গিয়েছিলেন, কোন কাজে গিয়েছিলেন তা নিয়ে বেড়েছে ধোঁয়াশা। একজন পুলিশ অফিসার নিজের এলাকা ছেড়ে অন্য জেলায় গেলে ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন। এক্ষেত্রে জয়ন্ত সেটা করেছিলেন কিনা তা দেখার পাশাপাশি যে পিস্তল থেকে গুলি চলেছে সেটার সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করেছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম, এমনটাই খবর সূত্রের। সূত্রের আরও খবর, শেযারে পানশালা চালান বড়বাবু। সেই পানশালায় যান অন্য জেলার বড়বাবুরাও। 

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us