
চুঁচুড়া: তোলাবাজি, চিটিংবাজি, ভয় দেখিয়ে অন্যের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ছিল চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে। সেই মামলাতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীর আগাম জামিনের আবেদন বাতিল করল চুঁচুড়ার প্রথম দায়রা আদালত।
চন্দননগর থানায় চলতি বছরের গত ৪ জুলাই চন্দনগর কর্পোরেশনের ঠিকাদারদের অভিযোগের ভিত্তিতে জনৈক প্রদীপ দে অভিযোগ দায়ের করেন। ১০৭ নম্বর কেসে, তোলাবাজি, চিটিং, ভয় দেখিয়ে অন্যের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে। এই মামলাতে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে চন্দননগর কর্পোরেশনের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র মুন্না আগারওয়ালকে। আজ ধৃতকে আদালতে পেশ করা হয়। তাঁর জামিনের আবেদন বাতিল হয়।
হুগলি জেলা মুখ্য সরকারি আইনজীবী শংকর গঙ্গোপাধ্যায় বলেন,”তোলাবাজির অভিযোগে ডেপুটি মেয়র ও চিফ ইঞ্জিনিয়র শৈবাল রায়কে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের আগাম জামিন বাতিল হওয়ায় তাঁকে গ্রেফতার করতে আর কোনও বাধা রইল না পুলিশের।”
এখানে উল্লেখ্য, ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে শুধু এই কেস নয়। এর পাশাপাশি রয়েছে আরও একাধিক অভিযোগ। চন্দননগর বিধানসভা উৎসবের নাম করে প্রভাবশালী মানুষের থেকে টাকা তুলে ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাত করেছেন৷
রাজ্যে পালাবদলের পরেই ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে শিল্পীদের একাংশ প্রকাশ্যে নানা বিষয়ে ক্ষোভ দেখিয়েছেন। তৃণমূল সরকারের পৃষ্ঠপোষক না হলে সরকারি অনুষ্ঠানে সুযোগ না পাওয়ার মত নানা অভিযোগ তুলেছেন শিল্পীরা। এবার আগাম জামিন বাতিল হওয়ায় কার্যত বিপাকে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী বলাই যায়।