
গোঘাট: দেহ উদ্ধার হল ডেলিভারি বয়-এর। একটি ই-কমার্স সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই যুবক। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোঘাট থানার পুলিশ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে গোঘাটের উল্লাসপুরের আমাদিঘির পাড় এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম সুজয় মহন্ত (২৭)।
সুজয়ের বাড়ি গোঘাটের ভাদুরের মির্গাচাতরা গ্রামে। তিনি একটি ই-কমার্স সংস্থার ডেলিভারি বয় ছিলেন। তিন চাকার গাড়িতে করে ডেলিভারি দেওয়ার কাজ করতেন। শনিবার সেই সুজয়কেই গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান এলাকার বাসিন্দারা। সঙ্গে-সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। তারাই এসে দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ইতিমধ্যেই পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি সুজয়ের তিন চাকার গাড়িটিকে গোঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয় জিনিসপত্র সমেত। তবে কেন এই ঘটনা ঘটল তার তদন্ত করছে পুলিশ। আমি চায়ের দোকানে চা খেতে এসেছিলাম। হঠাৎ করে শুনি এক টোটোওয়ালা আত্মহত্যা করেছেন। এ দিকে, আজ আবার বরাহবগরে সোনার দোকান থেকে উদ্ধার হয়েছে ব্যবসায়ীর দেহ। তাঁকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। দোকানের ভিতরেই হাত পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে দেহ। স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর শুনি মারা গিয়েছেন। আর আমাদের এখানে নিরাপত্তা নেই। এখানে প্রচুর সোনার দোকান রয়েছে। অথচ কোনও নিরাপত্তা নেই। মাঝে মধ্যে পুলিশ আসে। কিন্তু সেই ভাবে টহল কোথায়? আমার চেনা পরিচিত একজন এসে বলল দোকানের ভিতর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ছিল। দেওয়ালে রক্ত লেগে আছে। এই যদি পরিস্থিতি হয় কী বলব বলুন তো। আমাদের তো খুব ভয় লাগছে।”