Toto-Auto Strike: নামিয়ে দেওয়া হল যাত্রীদের! অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে না টোটো!

Uttarpara: ৩৪ বছর ধরে এই পেশায় যুক্ত অমিত ঘোষের দাবি, তাঁরা কোনও নতুন সুবিধা চাইছেন না। দীর্ঘদিন ধরে যে নিয়মে রুটে গাড়ি চলছে, সেই নিয়মই কার্যকর করা হোক।  আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট দাবি, নির্দিষ্ট পারমিটের বাইরে থাকা গাড়িগুলিকে অবিলম্বে রুট থেকে সরাতে হবে। প্রশাসনকে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে।

Toto-Auto Strike: নামিয়ে দেওয়া হল যাত্রীদের! অনির্দিষ্টকালের জন্য চলবে না টোটো!
টোটো চালকImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Aug 29, 2026 | 7:08 PM

রিষড়া: নির্দিষ্ট রুট ধরে এত দিন অনেকেই চালাতেন অটো এবং টোট। যাঁরা বহু বছর ধরে এই অটো টোটো চালাতেন, এখন সেই রুটে বাইরে থেকে ঢুকছে অনুমোদনহীন অন্য সব টোটো-অটো গাড়ি। অনুমোদনহীন এই সব গাড়ি ঢোকানোর অভিযোগ তুলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিষেবা বন্ধ রাখার হুঁশিয়ারি। শুধু তাই নয় বিক্ষোভে নামলেন রিষড়া স্টেশন ৩ নম্বর গেট সংলগ্ন রুটের অটো, টোটো ও ব্যাটারি রিকশা চালকরা। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে পারমিট মেনে যে রুটে নির্দিষ্ট সংখ্যক গাড়ি চলাচল করছে, সেখানে সম্প্রতি অতিরিক্ত টোটো ও অন্যান্য যান ঢুকিয়ে দেওয়ায় তাঁদের রোজগারে টান পড়েছে। একই সঙ্গে তৈরি হচ্ছে যানজটের সমস্যাও।

আন্দোলনকারীদের দাবি, রিষড়া স্টেশন ৩ নম্বর গেট থেকে দিল্লি রোডের গুমোডাঙা পর্যন্ত ৪২টি পারমিটপ্রাপ্ত অটো এবং স্টেশন থেকে বামুনারি পর্যন্ত ৪৮টি টোটো ও ২৮টি ব্যাটারি রিকশা দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলাচল করছে। অভিযোগ, ৪ জুনের পর রাজনৈতিক মদতে এবং পুলিশ-প্রশাসনের নির্দেশে মেন রোড থেকে প্রায় ১৫০ থেকে ৩০০টি অতিরিক্ত টোটো ও অন্যান্য যান ওই নির্দিষ্ট রুটে ঢুকতে শুরু করে।

চালকদের অভিযোগ, অতিরিক্ত গাড়ির কারণে একটি ট্রিপ পাওয়ার জন্য তাঁদের এক ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে দৈনিক আয় কমেছে অনেকটাই। তাঁদের আরও দাবি, রাস্তা তুলনামূলক ভাবে সংকীর্ণ হওয়ায় অতিরিক্ত গাড়ির চাপে নিয়মিত যানজট তৈরি হচ্ছে। এমনকী, যানজটের কারণে অ্যাম্বুল্যান্স চলাচলেও সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ আন্দোলনকারীদের।

অভিযোগ উঠেছে, নতুন করে রুটে ঢোকা গাড়ির চালকেরা পুরনো চালকদের নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড দখলের চেষ্টা করছেন। এমনকী, চাবি কেড়ে নেওয়া, গালিগালাজ এবং মারধরের হুমকি দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে আন্দোলনকারীদের দাবি।

আন্দোলনকারী টোটন বিশ্বাস বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট সংখ্যক পারমিটপ্রাপ্ত গাড়ি এই রুটে চলাচল করছে। হঠাৎ করে বাইরে থেকে বিপুল সংখ্যক গাড়ি ঢুকে পড়ায় চালকদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।” প্রশাসনের কাছে বিষয়টি নিয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অন্য আন্দোলনকারী অভিজিৎ রায়ও একই অভিযোগ তুলে বলেন, “অনুমোদিত গাড়িগুলি অবিলম্বে নির্দিষ্ট রুট থেকে সরিয়ে দিতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”

৩৪ বছর ধরে এই পেশায় যুক্ত অমিত ঘোষের দাবি, তাঁরা কোনও নতুন সুবিধা চাইছেন না। দীর্ঘদিন ধরে যে নিয়মে রুটে গাড়ি চলছে, সেই নিয়মই কার্যকর করা হোক।
আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট দাবি, নির্দিষ্ট পারমিটের বাইরে থাকা গাড়িগুলিকে অবিলম্বে রুট থেকে সরাতে হবে। প্রশাসনকে তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসে স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে।

এর আগে উত্তরপাড়ায় জিটি রোডে টোটো বন্ধ করা নিয়ে বিধায়ক দীপাঞ্জন চক্রবর্তী সাফ জানিয়েছিলেন, বিকল্প ব্যবস্থা না করে এভাবে টোটো বন্ধ করা যায় না। তাঁদেরও পরিবার আছে। সে কথা ভাবতে হবে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us