
হাওড়া: রবিবার একটি ফাঁকা জায়গায় এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। হাওড়ার ডোমজুড়ের সেই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। প্রাথমিক ভাবে, প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি কেউ খুন করেছিল যুবককে? নাকি নিছকই আত্মহত্যা। তবে একদিন বাদেই পুলিশ জানাল যুবকের মৃত্যুর পিছনের আসল কারণ।
মৃত ব্যক্তির নাম সিরাজুল শেখ (৩৫)। গতকাল ডোমজুড়ের একটি ফাঁকা জায়গায় তাঁরই দেহ পড়ে ছিল। সর্বপ্রথম এলাকাবাসী দেহটিকে দেখে খবর দেন ডোমজুড় থানায়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবককে খুন করা হয়েছে।তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সেই সন্দেহ আরও পরিষ্কার হয়েছে, যখন পুলিশের হাতে এসেছে রক্তমাখা কোদালের বাঁট।
সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, কর্মক্ষেত্রে টাকা পয়সা লেনদেন সংক্রান্ত বিবাদ হয়েছিল। সেই কারণেই সিরাজুল শেখকে খুন করার পরিকল্পনা করে হাসু খাঁ নামের তাঁর এক অপর সহকর্মী। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত হাসুকে ও আলমগীর নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার তাদের হাওড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা সকলেই ডোমজুড়ে ঠিকাদারির কাজের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হবে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, “গতকাল ৩টে নাগাদ জানতে পেরেছিলাম খুন হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম। আর এখানে এসে দেখি একটা লাঠি রাখা। তখনই মনে হয়েছিল কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে মেরে ফেলে গিয়েছে।”