Bonus For Pujo: চা-শ্রমিকদের ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা, শুভেন্দুকে ধন্যবাদ দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারগুলোর!

Bonus For Pujo: এবার পরিস্থিতি বদলেছে। পুজোর বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে চা শ্রমিকদের মধ্যে। জলপাইগুড়ি জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট 90 টি চা বাগান রয়েছে। সেই সমস্ত বাগানের শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Bonus For Pujo: চা-শ্রমিকদের ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা, শুভেন্দুকে ধন্যবাদ দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারগুলোর!
শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Sep 08, 2026 | 4:03 PM

জলপাইগুড়ি: ক্ষমতায় এলে চা শ্রমিকদের সমস্যা গুরুত্ব দিয়ে বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবারই কালিম্পঙে বৈঠক করার কথা ছিল তাঁর। খারাপ আবহাওয়ার দরুণ তাঁর কপ্টার নামতে পারেনি। উত্তরকন্যা থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠক করছেন প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে। তবে পাহাড়ে যাওয়ার আগেই চা শ্রমিকদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ। পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে আন্দোলন, গেট মিটিং কিংবা রাস্তা অবরোধ—ডুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে এমন ছবি প্রতি বছরই দেখা যেত। কিন্তু এবার যেন সেই চেনা ছবিতে বদল। আন্দোলনে নামার আগেই চা শ্রমিকদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা। হওয়ায় পুজোর মুখে খুশির হাওয়া বইছে জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন চা বাগানে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্সে চা বাগানের সংখ্যা প্রায় ২৭৫টি। শ্রমিকের সংখ্যা তিন লক্ষের বেশি।  শ্রমিকদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস প্রদানের অ্যাডভাইজারি ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে চা শ্রমিকদের আন্দোলনে নামতে হতো। কোথাও গেট মিটিং, কোথাও বিক্ষোভ, আবার কোথাও রাস্তা অবরোধ করে দাবি জানাতেন শ্রমিকরা। এমনকী, বোনাস ঘোষণা হওয়ার পরেও অনেক ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে টালবাহানার অভিযোগ উঠত। সরকারের তরফে বোনাস ঘোষণা নিয়েও বিভিন্ন সময় নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ শ্রমিকদের।

তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে। পুজোর বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণায় স্বস্তি ফিরেছে চা শ্রমিকদের মধ্যে। জলপাইগুড়ি জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট 90 টি চা বাগান রয়েছে। সেই সমস্ত বাগানের শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বছরের এই সময়ে বোনাসের টাকাতেই অনেক পরিবারে পুজোর কেনাকাটা থেকে শুরু করে ঘর মেরামত—বিভিন্ন প্রয়োজন মেটানো হয়।

চা শ্রমিকদের কথায়, বোনাসের টাকা হাতে এলে সন্তানদের নতুন পোশাক কিনে দেওয়ার পাশাপাশি নিজেদের জন্যও নতুন জামাকাপড় কেনা সম্ভব হবে। পুজোর কয়েকটি দিন পরিবারের জন্য ভালো-মন্দ খাবারের ব্যবস্থাও করতে পারবেন তাঁরা। অনেকের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের প্রয়োজন থাকলেও আর্থিক সমস্যার কারণে তা করা সম্ভব হয়নি। বোনাসের টাকা পেলে পুজোর আগে সেই কাজও সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেকের।

চা শ্রমিকরা জানান, পুজোর আগে বোনাসের জন্য আন্দোলন করতে হবে কি না, তা নিয়ে প্রতি বছরই একটা দুশ্চিন্তা থাকত। এবার সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই দূর হয়েছে। আন্দোলনে নামার আগেই বোনাস ঘোষণা হওয়ায় তাঁরা খুশি। একইসঙ্গে নতুন সরকারের এই উদ্যোগের জন্য রাজ্য সরকারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।

সব মিলিয়ে, পুজোর আগেই ২০ শতাংশ বোনাস ঘোষণা চা শ্রমিকদের কাছে যেন বাড়তি পাওনা। বোনাসের টাকায় নতুন পোশাক, পুজোর কেনাকাটা, ভালো-মন্দ খাওয়া আর ঘরদোর মেরামতের পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us