Dhupguri: ডাম্পার হাইজ্যাক করে দিনে দুপুরে চালককে অপহরণ

ডাম্পার মালিকের দাবি, টাকা না পাওয়ায় পরিকল্পিতভাবে চালককে অপহরণ এবং ডাম্পারটি হাইজ্যাক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ধূপগুড়ি পুরসভার ঘোষপাড়া সংলগ্ন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা টুকাই ঘোষের বিরুদ্ধে ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

Dhupguri: ডাম্পার হাইজ্যাক করে দিনে দুপুরে চালককে অপহরণ
ধূপগুড়িImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jul 28, 2026 | 11:56 PM

ধূপগুড়ি: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জেলা সফর শেষ করে ফেরার পরই ধূপগুড়িতে ফের সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ। এবার পুলিশের নাকা চেকিং পয়েন্টের অদূরে দিনেদুপুরে একটি ১৬ চাকার ডাম্পার আটকে চালককে অপহরণ এবং গাড়ি হাইজ্যাকের অভিযোগ উঠেছে। সিন্ডিকেটের নামে দেড় লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ডাম্পারের মালিক। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

অভিযোগকারী ডাম্পার মালিক জলপাইগুড়ি জেলার বিন্নাগুড়ির বাসিন্দা। নাম সেলিম হোসেন। তাঁর দাবি, তিনি ১৬ চাকার ডাম্পারটি সমস্ত বৈধ কাগজপত্র নিয়েই মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ বীরপাড়া থেকে আরবিএম বোঝাই করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। ধূপগুড়ি স্টেশন সংলগ্ন এলাকা পেরিয়ে সুকটা হাটি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছতেই কয়েকজন যুবক গাড়িটি আটকায় বলে অভিযোগ।

অভিযোগ, গাড়িতে অবৈধ আরবিএম রয়েছে এই অভিযোগ তুলে চালকের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে ওই যুবকরা। এরপর গাড়ি ছাড়ার জন্য চালকের কাছে সরাসরি দেড় লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে চালককে প্রাণে মেরে ফেলা এবং ডাম্পারটি গায়েব করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

এরপর অভিযুক্তরা চালককে দিয়ে ডাম্পার মালিক সলিম হোসেনকে ফোন করায় বলে দাবি। ফোনে তাঁকেও জানানো হয়, দেড় লক্ষ টাকা না দিলে গাড়ি ও চালক কাউকেই ছাড়া হবে না। সলিম হোসেনের অভিযোগ, বেলা সাড়ে এগারোটার পর থেকে চালকের মোবাইল ফোনটি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকেই চালক এবং ডাম্পার টির কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

ডাম্পার মালিকের দাবি, টাকা না পাওয়ায় পরিকল্পিতভাবে চালককে অপহরণ এবং ডাম্পারটি হাইজ্যাক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ধূপগুড়ি পুরসভার ঘোষপাড়া সংলগ্ন ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা টুকাই ঘোষের বিরুদ্ধে ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, যে সুকটা হাটি এলাকায় ডাম্পারটি আটকানোর অভিযোগ উঠেছে, তার ঢিল ছোড়া দূরত্বেই রয়েছে পুলিশের নাকা চেকিং পয়েন্ট। স্থানীয়দের প্রশ্ন, পুলিশের নজরদারির মধ্যেও কীভাবে প্রকাশ্যে এই ধরনের ঘটনা ঘটল?

 

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us