Jalpaiguri Municipality Chairman: ‘ডুমুরের ফুল’ তৃণমূল পৌরপ্রধানের সুটকেস থেকে যা বেরোল…

Jalpaiguri Municipality suitcase mystery: পৌরসভা থেকে চেয়ারম্যান বেরিয়ে যাওয়ার পর দেখা যায়, তাঁর চেম্বারে রয়েছে ওই রহস্যময় সুটকেস। শুরু হয় আরও জল্পনা। শেষে ওই জল্পনা নিরসনে এক্সিকিউটিভ অফিসার, অফিস সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও কিছু অফিস স্টাফদের নিয়ে রাতে চেয়ারম্যানের চেম্বার খোলেন পুলিশ আধিকারিকরা। উদ্ধার করা হয় ওই রহস্যময় সুটকেস।

Jalpaiguri Municipality Chairman: ডুমুরের ফুল তৃণমূল পৌরপ্রধানের সুটকেস থেকে যা বেরোল...
কী পাওয়া গেল সুটকেস থেকে?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 25, 2026 | 2:41 PM

জলপাইগুড়ি: রাজ্যে পালাবদলের পর পৌরসভায় তাঁকে বিশেষ দেখা যায়নি। প্রায় ৩ সপ্তাহ পর আচমকা সোমবার বিকেলে পৌরসভায় পৌঁছে যান চেয়ারম্যান। তাঁর সঙ্গে আসে কয়েকজন। তাঁদের সঙ্গে ছিল একটি বড় সুটকেস। কিন্তু, কয়েকঘণ্টা পর চেয়ারম্যান পৌরসভা থেকে চলে গেলেও তাঁর অফিসে রয়ে যায় সুটকেসটি। আর ওই সুটকেস ঘিরেই রহস্য বাড়ল জলপাইগুড়ি পৌরসভায়। শেষ পর্যন্ত পুলিশের সামনেই সুটকেসটি খোলা হয়।

জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে কয়েকজন অনুগামীকে নিয়ে তৃণমূল পরিচালিত জলপাইগুড়ি পৌরসভায় আসেন চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। এরপর টানা কয়েকঘণ্টা অফিস করেন। সেইসময় রটে যায়, ফাইল লোপাট করার জন্য সুটকেস নিয়ে পৌরসভায় ঢুকেছেন সৈকত অনুগামীরা। পাছে সত্যিই ফাইল লোপাট হয়, এই আশঙ্কায় পৌরসভায় চলে আসেন বেশ কিছু বিজেপি কর্মী। আসেন কোতয়ালি থানার পুলিশ আধিকারিকেরা।

এরপর কিছুক্ষণ অফিস করে পৌরসভা থেকে বেরিয়ে যান চেয়ারম্যান। কিন্তু তাঁর চেম্বারে রয়ে যায় ওই রহস্যময় সুটকেস। শুরু হয় আরও জল্পনা। শেষে ওই জল্পনা নিরসনে এক্সিকিউটিভ অফিসার, অফিস সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও কিছু অফিস স্টাফদের নিয়ে রাতে চেয়ারম্যানের চেম্বার খোলেন পুলিশ আধিকারিকরা। উদ্ধার করা হয় ওই রহস্যময় সুটকেস।

পুলিশের সামনেই সুটকেস খোলা হয়। সুটকেসটি খোলার পর দেখা যায়, তাতে রয়েছে বেশ কিছু জামাকাপড়।জানা গিয়েছে, সুটকেসটি চেয়ারম্যানের গাড়ির চালকের। পরে সকলের উপস্থিতিতে ওই সুটকেস নিয়ে যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের এক অনুগামী।

সুটকেস খুলতে যা দেখা গেল

সুটকেস ঘিরে রহস্যের যবনিকা পতনের পর এক্সকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র বলেন, “এটা রহস্য নয়। চেয়ারম্যানের সঙ্গে আরও ২-৩ জন এসেছিলেন। তাঁদের কেউ একজন ভুল করে সুটকেসটা চেয়ারম্যানের ঘরে নিয়ে চলে এসেছিলেন। তারপর একজনের ফোন আসে। বলেন, ওর মধ্যে ওষুধ রয়েছে। সুটকেসটা আমাদের দরকার। তখনই মনে হল, সুটকেসটা চেক না করে পাঠানো যায় না। তখন যদি নিয়ে যেত অসুবিধা হত না।” কিন্তু, পুলিশ এল কেন? এই প্রশ্নের উত্তরে দেবদুলালবাবু বলেন, “২৭ তারিখ আবার একটা ভোট রয়েছে। টানাপোড়েন চলছে। পরিষ্কার থাকাই ভালো। অফিস থেকে কোনও তথ্য যাচ্ছে না, এটা নিশ্চিত হওয়া দরকার।” তিনি জানান, “চেয়ারম্যানের সঙ্গে আসা কারও একজনের সুটকেস বলে জানতে পেরেছি। পুলিশের সামনে চেক করে যাঁর সুটকেস, তাঁকে আমরা দিয়ে দিয়েছি।”

কী বলছেন সৈকত চট্টোপাধ্যায়?

এতদিন পর তাঁর পৌরসভায় আসা নিয়ে সৈকতের বক্তব্য, “আপনারা জানেন, পারিবারিক কারণে একটু বাইরে ছিলাম। মাঝখানে একদিন এসেছিলাম। আজকে এসেছিলাম, পৌরসভার অস্থায়ী কর্মীদের বেতন যাতে ক্লিয়ার হয়, সেজন্য সইসাবুদ করলাম। পৌরসভার নাগরিক পরিষেবা অক্ষুণ্ণ রাখতে যা করার দরকার, সেগুলো করছি।” পৌরসভায় পুলিশ আসা নিয়ে সৈকতের বক্তব্য, “পুলিশ কেন এসেছে, তা নিয়ে আমার ধারণা নেই।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us