
জলপাইগুড়ি: কয়েক ঘণ্টা আগেও সব ঠিক ছিল, কিন্তু তার মধ্য়েই যে এই দৃশ্য দেখতে হবে তা ভেবে এখনও শিউরে উঠছেন পরিবারের সদস্যরা। বৃদ্ধার মাথা কেটে নিয়ে চলে গেল দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ি বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চরচন্ডী গ্রামে। মৃত মহিলার নাম সমিজা খাতুন (৭৩)। ঘটনায় স্বভাবতই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। এসেছে পুলিশ। এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীও।
জানা যায় শনিবার সকালে মাকে চা খাওয়ানোর জন্য ঘরে যায় তার ছেলে ইউসুফ আলী। কিন্তু ঘরে মাকে না পেয়ে তিনি আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পিছনের একটি ফাঁকা জায়গায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সমিজা খাতুনের দেহ। কিন্তু মায়ের অবস্থা দেখে ততক্ষণে ভিড়মি খাওয়ার জোগাড় ছেলের। দেখা যায় গোটা দেহ পড়ে থাকলেও আশেপাশে মাথার কোনও চিহ্নই নেই।
খবর চাউর হতেই এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীও। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। কী কারণে এই নৃশংস খুন, কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা, সম্পত্তির কারণে বিবাদ না অন্য কোনও কারণে এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কথা বলা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও। পিছনে কোনও পরিচিত নাকি কোনও পরিজনের হাত রয়েছে তা ভাবাচ্ছে পুলিশকে। এদিকে প্রকাশ্যে দিবালোকে এ ঘটনায় স্বভাতই তীব্র আতঙ্কের সঞ্চার হয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের মনে। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।