
ধূপগুড়ি: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বারুইপুরকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই জলপাইগুড়িতে ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ঝোপে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল ধূপগুড়ি এলাকায়। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, সোমবার সন্ধে আনুমানিক ৭টা নাগাদ বাড়িতে অন্য কেউ ছিলেন না। ওই সময় বছর উনিশের গৃহবধূ ঘরের ভিতরে ছিলেন। সেই সময় অভিযুক্ত যুবক আচমকা ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়ে। অভিযুক্ত জোর করে তরুণীকে ঝোপের আড়ালে টেনে নিয়ে যায়। এবং সেখানে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
ঘটনার পর নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ধূপগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই এলাকায় গিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হবে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছে সিপিআই(এম)। সিপিএম নেতা জয়ন্ত মজুমদার বলেন, “এই ধরনের জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।” পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন তিনি। মঙ্গলবার নির্যাতিতার বাড়িতে যান সিপিআই(এম)-এর প্রাক্তন বিধায়ক মমতা রায়-সহ মহিলা সমিতির প্রতিনিধিরা। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নির্যাতিতার পাশে থাকার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
নির্যাতিতার শ্বশুর বলেন, “আমরা বাড়িতে কেউ ছিলাম না। মুখ চেপে বাগানে নিয়ে যায় আমার বৌমাকে। তারপর নির্যাতন করে। মাত্র ৩ মাস আগে বিয়ে হয়েছে। আমার বৌমার বয়স ১৯।” অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তিনি।