Jhargram: অপহরণ করে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ ঝাড়গ্রামে

Jhargram: কোনওক্রমে বাঁচার তাগিদে তিনি চিৎকার করতে করতে রাস্তায় ছুটে এলে স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ররা তাঁকে উদ্ধার করে গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। মহিলার শরীরের ডান দিকের প্রায় ৩৬ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্তমানে তিনি ঝাড়গ্রাম জেলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Jhargram: অপহরণ করে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ ঝাড়গ্রামে
প্রতীকী ছবিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jul 24, 2026 | 9:05 PM

ঝাড়গ্রাম:  ঝাড়গ্রাম জেলার বেলিয়াবেড়া থানা এলাকায় এক প্রৌঢ়াকে অপহরণ করে নির্জন জঙ্গলে ধর্ষণ এবং প্রমাণ লোপাটে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠল এক পরিচিত যুবকের বিরুদ্ধে। জখম নির্যাতিতাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ৩৫ বছর বয়সী যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করলে চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বিচারক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলা পেশায় ভিন রাজ্যের রাঁধুনি এবং তাঁর স্বামী প্রয়াত। গত শুক্রবার তিনি বাড়িতে আসেন। গত রবিবার স্থানীয় বাজারে যাওয়ার পথে এলাকারই এক পরিচিত যুবক অন্য এক ব্যক্তির গাড়িতে করে এসে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নেয়। অভিযোগ, পানীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে প্রৌঢ়াকে অচৈতন্য করে রাজ্য সড়ক সংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করার পর গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

শরীরে আগুন লাগতেই জ্ঞান ফেরে নির্যাতিতার। কোনওক্রমে বাঁচার তাগিদে তিনি চিৎকার করতে করতে রাস্তায় ছুটে এলে স্থানীয় সিভিক ভলান্টিয়ররা তাঁকে উদ্ধার করে গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। মহিলার শরীরের ডান দিকের প্রায় ৩৬ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্তমানে তিনি ঝাড়গ্রাম জেলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে প্রধান অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। তবে গাড়ির চালক এখনও পলাতক। ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার মানব সিংলা জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পলাতক অপর ব্যক্তির খোঁজে তদন্ত চলছে। ধৃতকে ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হলে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us