School News: ‘স্যর বলেছেন…’, স্কুলে গিয়ে বাথরুমের ছাদে উঠে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করছে পড়ুয়ারা

Jhargram: এড়ানোর চেষ্টা করে প্রধান শিক্ষক বলেন, "আমরা ক্লাসরুমের ভিতরে ছিলাম, তাই বুঝতে পারিনি কখন ছাত্ররা উপরে উঠে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করছে। চোখে পড়ামাত্রই আমরা বাচ্চাদের নামিয়ে দিই।" যদিও প্রধান শিক্ষকের এই বয়ান মানতে নারাজ স্থানীয়রা।

School News: স্যর বলেছেন..., স্কুলে গিয়ে বাথরুমের ছাদে উঠে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করছে পড়ুয়ারা
জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করছে বাচ্চারাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 28, 2026 | 10:56 AM

ঝাড়গ্রাম: বয়স বড়জোড় সাত কী আট। কিংবা তার কম হবে। তারা উঠেছে স্কুলের বাথরুমের ছাদে। আর তারপর পরিষ্কার করছে জলের ট্যাঙ্ক। স্কুলের ছাত্ররা জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করলে বাকি কর্মীরা কি করেন? কেন স্কুলে গিয়ে পড়ুয়াদের দিয়ে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করানো হবে? বড়সড় বিপদ ঘটলে তার দায় কে নেবে?ঠিক এমনই গুচ্ছ-গুচ্ছ প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন অভিভাবকরা।

ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকের ধড়সা অঞ্চলের মুনিয়াদা প্রাইমারি স্কুল। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার সকালে আনুমানিক সাড়ে আটটা নাগাদ। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন অভিভাবক লক্ষ্য করেন, স্কুলের বাথরুমের ছাদে উঠেছে ছোট ছোট পড়ুয়ারা। এরপর বিপজ্জনকভাবে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করছে কয়েকজন ছাত্র। এমনকী, এক পড়ুয়াকে ওই জলের ট্যাঙ্কের ভিতরেও নামানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। যাতায়াতের পথে এই দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান গ্রামবাসীরা। পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা সাফ জানায়, “মাস্টারমশাই আমাদের এই কাজ করতে বলেছেন।” প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রায় আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বাচ্চারা ওই ছাদে উঠে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করছিল। সেখানে খেলাধুলো করছিল।

এখানেই শেষ নয়, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা আরও দেখেন যে, স্কুলের শৌচালয় সংলগ্ন এলাকাটি মারাত্মকভাবে ঝোপঝাড়ে ভর্তি হয়ে রয়েছে। এমনকি শৌচালয়টিও মোটেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নয়। এই চরম নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যেই বাচ্চাদের দিয়ে এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানোর ঘটনাটি জানাজানি হতেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ধ্রুব বাগচীকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন অভিভাবকরা। প্রথমে দায় এড়ানোর চেষ্টা করে প্রধান শিক্ষক বলেন, “আমরা ক্লাসরুমের ভিতরে ছিলাম, তাই বুঝতে পারিনি কখন ছাত্ররা উপরে উঠে জলের ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করছে। চোখে পড়ামাত্রই আমরা বাচ্চাদের নামিয়ে দিই।” যদিও প্রধান শিক্ষকের এই বয়ান মানতে নারাজ স্থানীয়রা।

 

Follow Us