
ঝাড়গ্রাম: দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে পড়েছিল। কাজ করতে গিয়ে পাটাতন খুলেছিলেন। আর তাতেই অঘটন। হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। আর তাঁকে দেখে আরেক সহকর্মীও তাঁকে সাহায্য করতে যান। তাঁরও প্রায় একই অবস্থা। নতুন নির্মিত সেপটিক ট্যাঙ্কের পাটাতন খুলতে গিয়ে বিপত্তি। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই সেপটিক ট্যাঙ্কটি কয়েক মাস ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল। সোমবার সকালে ট্যাঙ্ক পরিষ্কার বা খোলার উদ্দেশ্যে ভিতরে ঢুকেছিলেন অজিত মুহূর্তেই বিষাক্ত গ্যাসে অজ্ঞান হয়ে পড়েন কর্মরত যুবক অজিত দেশোয়ালি। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাড়ির মালিক সুব্রত সেনগুপ্তও।
ওই যুবকের স্ত্রীর আর্তচিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দ্রুত শুরু হয় উদ্ধারকাজ। বাড়ির পাশের এক হাতুড়ে চিকিৎসকের তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা ও তৎপরতায় সঙ্গে সঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে গ্যাস দেওয়া শুরু হয়, যার ফলে দুই ব্যক্তির প্রাণ রক্ষা পায়।
ওই চিকিৎসকের ফোন পেয়ে মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এরপর তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন দুই ব্যক্তিই বিপদমুক্ত এবং সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।