
মালদহ: জোর করে গেট ভেঙে ঢোকার চেষ্টা। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিপেটা। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গঠনকে কেন্দ্র করে অশান্তি, গোলমাল মালদার রতুয়ায়। কংগ্রেস সমর্থকদের লাঠিপেটা করার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের বিরুদ্ধে। জোর করে ব্লক অফিসে ঢুকতে গেলে কংগ্রেস নেতাকর্মীদের বাধা দেয় নিরাপত্তা কর্মীরা। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি গেট ভাঙার চেষ্টা। পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। এরপরেই লাঠি নিয়ে উদ্যত হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। কংগ্রেসের অভিযোগ, বেশ কয়েকজন কর্মী লাঠির আঘাতে জখম হয়েছেন। প্রতিবাদে ব্লক অফিসের সামনেই রাস্তায় বসে পড়ে অবরোধ, বিক্ষোভ করে কংগ্রেস সমর্থকরা।
গোলমাল এর মধ্যেই এদিন শেষপর্যন্ত পঞ্চায়েত সমিতির নতুন সভাপতি হয়েছেন কংগ্রেসের জিয়াউল হক। তৃণমূলের হাত থেকে কংগ্রেসের হাতে এল রতুয়া- দুই পঞ্চায়েত সমিতি। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচনে কংগ্রেসের জিয়াউল হককে সমর্থন করেন সিপিএমের তিনজন এবং তৃণমূলের তিনজন পঞ্চায়েত সমিতি সদস্য।
মালদার রতুয়া- ২ পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মহম্মদ আমিরুদ্দিনকে গত ৬ অক্টোবর অনাস্থা প্রস্তাব এনে অপসারণ করে কংগ্রেস, সিপিএম এবং বিক্ষুব্ধ তৃণমূল জোট। এদিন ছিল নতুন সভাপতি নির্বাচন।
রতুয়া-২ পঞ্চায়েত সমিতির মোট আসন ২৪। এরমধ্যে তৃণমূলের ১৩ জন, কংগ্রেসের আটজন এবং সিপিএমের তিনজন সদস্য রয়েছেন। এদিন সভাপতি নির্বাচনে কংগ্রেসের আট জন, সিপিএমের তিনজন এবং তৃণমূলের আরও তিনজন কংগ্রেস সভাপতিকে সমর্থন করেন।