
মালদহ: কলকাতায় তৃণমূলের মূল কার্যালয় নিয়ে টানাটানি চলছে। মমতাপন্থী তৃণমূল নাকি ঋতব্রত-শিবির, কার হাতে থাকবে পার্টি অফিস? এই নিয়ে যখন কলকাতায় থানা-পুলিশ চলছে, তখন মালদহে উঠেই গেল পার্টি অফিস। কার্যত বেপাত্তা তৃণমূল। না আছে ঋতব্রত-তৃণমূল, না আছে মমতার তৃণমূল (TMC)।
মালদহে তৃণমূলের কোনও কার্যালয়ই নেই। উঠে গিয়েছে। ভাড়া নেওয়া যে ঘরটি দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হত, সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঘর ছেড়েছেন কর্মীরা। জনসভা, কর্মিসভা, নিজেদের কর্মসূচি কিছুই নেই। বৈঠক তো দূর অস্ত, চোখেই দেখা যাচ্ছে না নেতাদের। সব হাওয়া। উলটে প্রথম সারির নেতারা শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নয়, চূড়ান্তভাবে দায়ী করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মিলিতভাবেই দলের পদ বিক্রি করেছেন, দলে টাকার খেলা চলেছে বলেও অভিযোগ তুললেন মালদহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ ফজলুল হক।
ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, “এখন তৃণমূল ভেঙে গিয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশন বিষয়টা দেখছে। বিষয়টা বিচারাধীন রয়েছে। সবাই চায় দলকে নিঙড়ে নিতে। গ্রাইন্ডিং মেশিনে শেষ ড্রপটাও বের করে খেয়ে নিয়েছে, এখন আর কিছু নেই। অনেক মাতালকে দেখেছি, ক্যাপের মধ্যে লেগে থাকা মদও খায়। ওই রকম অবস্থা।”
এই পরিস্থিতিতে বিজেপি বলছে, তৃণমূলের মূলটাই নেই। যে অবস্থাটা দাঁড়িয়েছে, তাতে পুপরো দলটাই চন্নছাড়া। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর অভিষেক ছাড়া আর কেউ থাকবে না। মালদহ দক্ষিণের কংগ্রেস সাংসদের বক্তব্য, ভালো মানুষের জন্য কংগ্রেসের দরজা খোলা আছে।