
মালদহ: মালদহে তৃণমূল কাউন্সিলর দুলাল সরকার খুনের পরপরই মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রর গাড়িকে ধাক্কা মারা হয়েছিল। তৃণমূল বিধায়ক সে সময়ই অভিযোগ করেছিলেন, দলেরই কেউ নাকি তাঁকে সরিয়ে দিতে চাইছে। এই ঘটনার পর ফের একবার হামলা। তবে এবার আক্রান্তের শিকার বিধায়কের গাড়ির চালক। ধারাল অস্ত্র নিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ সাবিত্রীর গাড়ির চালককে। এই ঘটনায় গ্রেফতার দুই।
শনিবার ভোররাতে ঘটনাটি ঘটেছ পুরাতন মালদার নারায়ণপুর বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন পুরাতন মালদা ব্লক গেটের সামনে। জানা গিয়েছে, আহত ব্যক্তির নাম অনুপ সাহা। অভিযোগ, জনা কয়েক অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী ধারাল অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালায়। অভিযুক্তদের প্রত্যেকেই মুখ ঢাকা অবস্থায় ছিল। পুলিশ ইতিমধ্যেই দুজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম ভোলা এবং পবন ঘোষ। পুলিশ জানিয়েছে, দুজনেই স্থানীয়। তাঁদের সঙ্গে অনুপের বচসা হয়। পরে হামলা চালায় তাঁরা।
আহত অনুপবাবু বলেন, “আমি পরিবারের সঙ্গে বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরছিলাম। হঠাৎ করে দেখি তিন-চারজন ঘোরাঘুরি করছিল মুখ ঢেকে। জানি না কেন ঘুরছিল। আমি ওদের জিজ্ঞাসা করতে গিয়েছিলাম কেন রাতে ঘোরাঘুরি করছিল? সঙ্গে-সঙ্গে পিছন থেকে আমায় চাকু মারল। পরপর চাকু মেরেই যাচ্ছিল। আমার সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। কেন এই ঘটনা ঘটল? আমি বলতে পারব না।” বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, “কালকে ও ডিউটি করতে আসেনি। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। অনুপও আমায় নিজে কিছু বলেনি। ওর স্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে।” সম্প্রতি, মানিকচক থেকে ফেরার পথে একটি গাড়ি সাবিত্রীকে সামনে থেকে এসে ধাক্কা মারে। এরপর পিছন থেকে এসে বারবার ধাক্কা মারার চেষ্টা করে ওই গাড়ি। তৃণমূল বিধায়কের দাবি, তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়। সেই ঘটনার পর চালকের উপর হামলা, নিতান্তই উদ্বেগের বিষয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।