
নয়া দিল্লি: সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) ও সন্দীপন সাহার (Sandipan Saha) নাম নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানা গেল, ওই দুই তৃণমূল বিধায়কের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই (জাল সই-কাণ্ড) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য তৃণমূল বিধায়কদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। ২০ মিনিটের মধ্যে বহিষ্কার করল তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই পুরো ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়ে গেলেন ‘আসল তৃণমূলে’র নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পুরো ঘটনাক্রমে বেশ কিছু প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে। ঋতব্রতকে তো তৃণমূল বহিষ্কার করেছে, তাহলে তিনি তৃণমূল হলেন কীভাবে? তৃণমূলের দেওয়া বিরোধী দলনেতার প্রস্তাব গ্রহণ করা হল না কেন? এবার সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু।
মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে ঋতব্রতকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু স্পিকার রথীন্দ্র বসুর বক্তব্য, নিয়ম মেনে ঋতব্রতদের বহিষ্কার করা হয়নি। তাঁর কথায়, “দলের সংবিধান অনুযায়ী, বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়। শোকজ করতে হয় সময় দিতে হয়। একদিনেই দুম করে বহিষ্কার করা যায় না। ওদের কাছে বিধায়ক সংখ্যা আছে। তাই মেনে নিয়েছি।”
বিরোধী দলনেতার প্রস্তাব দিয়ে তৃণমূল যে চিঠি দিয়েছিল, তাতে ত্রুটি ছিল বলে দাবি করেন স্পিকার। তাই সেটা গ্রহণ করা হয়নি। স্পিকার রথীন্দ্র বসু বলেন, “আইন মেনে কাজ করেছি। কোনও কিছু বেশিও করিনি, কমও করিনি। এর আগে দলের চিঠিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা ছিল, আমরা সেটা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দিয়েছি।”