
মুর্শিদাবাদ: ঙ্গলবার ছিল মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে উপভোট। ওই দিন নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই ইনিংস শুরু করেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা নওদা বিধানসভার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। আঙুল উঁচিয়ে পুলিশকে হুমকি, কুকথা। তারপর আটক হন। পরে ১২ ঘণ্টা পর ছাড়া পেতেই সুর নরম। আচমকা জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের প্রশংসা তাঁর গলায়। দাবাং মেজাজ উধাও, উল্টে জোর হাত তাঁর।
কী বলেছেন হুমায়ুন?
তিনি বলেন, “কোনও দিন নির্লজ্জের মতো পুলিশকে দাঁড়িয়ে থেকে ভোট লুট করতে দেখিনি। জ্যোতিবাবু-বুদ্ধবাবু-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশকে এমন দেখিনি। এটা কোন রাজত্ব?” এরপর রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ারও প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী দ্বিচারিতা, মিথ্যাচার ও গণতন্ত্রকে হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে আমি আপাতত বিধানসভা বয়কট করলাম।”
তবে হুমায়ুন এইসব বললেও সবটাই তাঁর ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ বিরোধীদের। বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “ওই সব নাটক। দেখাতে হয়। বিজেপি কীভাবে ভোট পাবে, সেইটাই করছে হুমায়ুন কবীর।” অন্যদিকে, আবার রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, “এইরকম বড় বড় কথা পূর্বেও বহু বলেছে। ওঁর বাড়তি কথা বলার অভ্যাস আছে।”
বস্তুত, একা হুমায়ুন নন, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে ভোট লুট করেছে এই অভিযোগ করেছে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানও। সকালবেলায় রিগিং হয়ে গিয়েছে, ভোট দিতেই দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়ে কমিশনের কাছে ভোট বয়কটের আর্জিও জানিয়েছে কংগ্রেস।