Medicine in Govt Hospital: ‘স্যর’ না বলায় রাগ! দু’ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলল না ওষুধ

Murshidabad Medical College and Hospital: ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালের ওষুধ বিতরণ কাউন্টারের সামনে এক মহিলা কাতরভাবে ওষুধ চাইছেন। কিন্তু কাউন্টারে বসা ওই ব্যক্তি কোনওভাবেই তাঁকে ওষুধ দিচ্ছেন না। মহিলাকে পাশ কাটিয়ে একের পর এক অন্য রোগীদের ওষুধ দিয়ে যাচ্ছেন। মহিলার অভিযোগ, প্রায় দু’ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ওষুধের জন্য।

Medicine in Govt Hospital: ‘স্যর’ না বলায় রাগ! দু’ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলল না ওষুধ
Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jul 08, 2026 | 1:52 PM

মুর্শিদাবাদ: স্যর না বলে বলেছিলেন দাদা! অভিযোগ, তাতেই রেগে লাল সরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিতরণ কেন্দ্রের কর্মী। দীর্ঘ দু’ঘণ্টার বেশি সময় মহিলা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও তাঁকে দেওয়া হল না ওষুধ। বারবার ওই কর্মীর উদ্দেশ্যে মহিলা প্রশ্ন ছুড়ে দিলেও মুখে কুলুপ অভিযুক্ত কর্মীর। উল্টে মহিলাকে সেন্টার থেকে বের করে দেওয়ার জন্য লোকজনও ডাকলেন। পুরো ঘটনাঅ মোবাইলে রেকর্ড করেছেন ওই মহিলা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। 

ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালের ওষুধ বিতরণ কাউন্টারের সামনে এক মহিলা কাতরভাবে ওষুধ চাইছেন। কিন্তু কাউন্টারে বসা ওই ব্যক্তি কোনওভাবেই তাঁকে ওষুধ দিচ্ছেন না। মহিলাকে পাশ কাটিয়ে একের পর এক অন্য রোগীদের ওষুধ দিয়ে যাচ্ছেন। মহিলার অভিযোগ, প্রায় দু’ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ওষুধের জন্য। কিন্তু তিনি ওই কর্মীকে দাদা বলে ডেকেছিলেন। তাতেই নাকি রেগে লাল ওই কর্মী। তাঁর দাবি, ‘স্যর’ না বলায় জোর করে তাঁর সঙ্গে এই আচরণ করা হচ্ছে। 

ভিডিয়োতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, মহিলা বারবার বলছেন, ওষুধটা দিন না, দু’ ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু ওই কর্মী কোনও উত্তরই দিচ্ছেন না। উল্টে নির্বিকারভাবে অন্যান্যদের পরিষেবা দিয়ে চলেছেন। শেষে আবার ওই মহিলা ওই ব্যক্তি স্যর বলেও ডাকেন। কিন্তু তাতেও মন গলেনি ওই কর্মীর। দেননি ওষুধ। ওই সময় মহিলা গোটা ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করতে গেলে ওই কর্মী আবার তাঁর এক সহযোগীকে ডেকে মহিলাকে থামাতেও বলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই উঠেছে নিন্দার ঝড়। হাসপাতালের অন্দরেও চলছে চাপানউতোর। সুদীপ্ত মণ্ডল নামে ওষুধ বিতরণ সেন্টারের ওই কর্মী যদিও সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলছেন, “ওই মহিলা লাইন ভেঙে এসেছিলেন। তাই প্রথমে দিইনি। দাদা বলার জন্য ঘটনা ঘটেনি, পড়ে ওষুধ দেওয়া হয়েছে।”

Follow Us