
মুর্শিদাবাদ: বাবরি মসজিদে বিজেপি-র পতাকা লাগিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এক জনকে। অভিযোগ, নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ধৃত। যদিও অশান্তির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ অস্বীকার করেছে নওদার বিধায়ক।
হুমায়ুনের বক্তব্য, “কে কোথায় আমাকে ফোন করেছে, আমি কী জানি। আমি কি তাঁকে ফোনে বলেছি, যে তুমি আমাকে ফোন করো। এর পিছনে চক্রান্ত রয়েছে। বিজেপিরও আছে, তৃণমূলেরও আছে। NCPI নেতাদের চক্রান্ত রয়েছে। আমাকে ফাঁসানো, হেয়ো করার উদ্দেশ্য। নির্বাচন কমিশনকে জানাব। এমনকি হাইকোর্টেও যাব।”
প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুরে বহরমপুর থানার পুলিশ গ্রেফতার করে ওই যুবককে। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সচিন মক্কার একটি অডিয়ো শোনান। তিনি বলেন, বিশেষ একজন ব্যক্তি সঙ্গে কথা বলছিলেন ওই যুবক। অডিয়োতে যুবককে বলতে শোনা যায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, সেটা বন্ধ করে দেওয়া হোক। এরপর বাবরি মসজিদে বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গা বানানো হবে।
অডিয়ো ক্লিপে শোনা যায়, এক ব্যক্তি ফোন করে বলছেন “একটা প্ল্যান খাটালাম বুঝলেন তো। বলছি, বাবরি মসজিদে কোনও সিসিটিভি আছে? যেখানে রাস্তাগুলো দেখা যাবে? ” তখন ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তি বলেন, ‘হ্যাঁ’। তখন ওই ব্যক্তি বলেন, “সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো বন্ধ করতে হবে। ৮-১০টা বিজেপি ফ্ল্যাগ লাগিয়ে দিতে হবে।” তখন ফোনের অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তি বলেন, “যাতে ক্ষেপে গিয়ে ভাঙচুর করে?” তখন সম্মতি জানায় ওই ব্যক্তি। পুলিশের হাতে আসে ওই অডিয়ো ক্লিপ।