Lakshmir Bhandar: পুরুষের অ্যাকাউন্টেও প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা! এই বাজারে এই খবরে পড়ল ঢি

Murshidabad Lakshmir Bhandar Corruption Case: ধৃত রাকিবুল শেখ ২০২৩ সাল থেকেই নিয়মিত তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সরকারি টাকা পেয়ে আসছিলেন এবং সেই টাকা তিনি নিজের প্রয়োজনে তুলেওছেন। মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট এই সরকারি প্রকল্পে কীভাবে তাঁর নাম নথিভুক্ত হলো, তা জেনেও তিনি এতদিন প্রশাসনকে কিছু জানাননি।

Lakshmir Bhandar: পুরুষের অ্যাকাউন্টেও প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা! এই বাজারে এই খবরে পড়ল ঢি
ধৃত অভিযুক্তImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

May 28, 2026 | 5:26 PM

বহরমপুর: ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সুবিধাভোগী খোদ এক পুরুষ! মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে প্রকাশ্যে দুর্নীতি। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ভুয়ো পুরুষ উপভোক্তাকে গ্রেফতার করেছে বহরমপুর থানার পুলিশ। ধৃতের নাম রাকিবুল শেখ। তিনি বহরমপুর ব্লকের রাধারঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিয়ালমারা এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী।

বুধবার বিকেলে এক প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের নাম ঘোষণা করার সময় রাজ্যে এই প্রকল্পের অধীনে থাকা ব্যাপক দুর্নীতির খতিয়ান তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, এই প্রকল্পে প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো উপভোক্তা বা ‘বেণো জল’ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তালিকায় যেমন মৃত ব্যক্তি, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা ভোটারদের নাম ঢুকিয়ে টাকা দেওয়া হয়েছে, তেমনই বহু পুরুষও এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করছেন। এর উদাহরণ দিতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রী মুর্শিদাবাদের বহরমপুর ব্লকের রাধারঘাট এলাকার এই ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই চাঞ্চল্যকর বার্তার পরেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। বুধবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানার পুলিশ রাধারঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাকিবুল শেখকে প্রথমে আটক করে এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃত রাকিবুল শেখ ২০২৩ সাল থেকেই নিয়মিত তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সরকারি টাকা পেয়ে আসছিলেন এবং সেই টাকা তিনি নিজের প্রয়োজনে তুলেওছেন। মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট এই সরকারি প্রকল্পে কীভাবে তাঁর নাম নথিভুক্ত হলো, তা জেনেও তিনি এতদিন প্রশাসনকে কিছু জানাননি। উল্টে তিনিই বলেন,  “বিগত সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল, তাই আমিও টাকা নিয়েছি। বন্ধুদের এই বিষয়ে জানিয়েছিলাম, কিন্তু প্রশাসনকে জানাইনি। এখন নতুন সরকার যে ব্যবস্থা নেবে, তা মাথা পেতে নেব।”

এই বিষয়ে রাধারঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মেনকা বেগম সম্পূর্ণ দায় ঠেলে দিয়েছেন ব্লক প্রশাসনের ওপর। তিনি জানান,  “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ থেকে শুরু করে স্ক্রুটিনি—সবকিছুই সরাসরি ব্লকের আওতাধীন। এখানে গ্রাম পঞ্চায়েত বা প্রধানের কোনো ভূমিকা থাকে না। ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরের মাধ্যমে হয়তো এই নাম তালিকায় উঠে গেছে। ফর্মগুলি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব পুরোপুরি ব্লক প্রশাসনেরই ছিল।”

Follow Us