
মুর্শিদাবাদ: মুখ্যমন্ত্রীর (CM suvendu Adhikari)-র কড়া নির্দেশের পরেও নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা পরিবারের। আটক মা ও নাবালিকা। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গাজিনগর এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৬ বছর বয়সী এক নাবালিকার বিয়ের আয়োজন গোপনে করা হচ্ছিল। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করলেও কোনওভাবে পুলিশের কাছে খবর পৌঁছয়। খবর পাওয়া মাত্রই জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। পুলিশ গিয়ে নাবালিকার বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। একইসঙ্গে নাবালিকা ও তার মাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরাও। প্রশাসনের আধিকারিকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার আইনি পরিণতি সম্পর্কে সচেতন করেন।
মুখ্য়মন্ত্রী আগে কী বলেছিলেন?
শুভেন্দু বলেন, “আঠারো বছরের নিচে বিবাহতে আমরা প্রথম। কোন জমানায় বসে আছেন? আঠারো বছরের নিচের কন্যারা সন্তানের জন্ম দিল। কারা করালেন? প্রথমে তাঁদের স্বামীদের জেলে ঢোকাতে হবে। এই সরকার কিন্তু ছাড়বে না। থামাতে হবে। বাড়ি বাড়ি থেকে তুলে আনব। এই স্বামীদের শোকজ চিঠি পাঠানো হবে। দেখাতে হবে মহিলার বয়স ১৮ হয়েছে। আর আঠারো বছরের নিচে বিয়ে করলে তো আগেই পকসো আইনে জেলে যাবে।” অথচ এত শত হুঁশিয়ারির পরও ফল শূন্য। দেখা গেল ফের বাল্যবিবাহ চলছিল সেখানে।