
মুর্শিদাবাদ: সরকার বদলাতেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে নিয়ে কম শোরগোল হয়নি। উঠে এসেছে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে পুরুষ হয়েও দীর্ঘদিন থেকে এই সরকারি ভাতার খবরে তীব্র চাপানউতোর হয় নাগরিক মহলেও। এরইমধ্যে এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার জালিয়াতি চক্রে গ্রেফতার বিডিও অফিসের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে। চর্চা চলছে রাজনৈতিক আঙিনাতেও। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান এদের মাধ্যমেই শয়ে শয়ে পুরুষ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়েছিল।
গ্রেফতার করা হয়েছে তিন যুবককে। ধৃতদের তালিকায় রয়েছেন আলি খুররম, তাঁর বাড়ি হোমারের মানিকনগর এলাকায়। ধৃত সার্জেন শেখ, তাঁর বাড়ি জোড়গাছা এলাকায়। তৃতীয়জন মিজানুর রহমান, তাঁর বাড়ি লস্করপুর এলাকায়। এই তিনজনকে এদিন মঙ্গলবার ১০ দিনের পুলিশে হেফাজতের আবেদন জানিয়ে জেলা আদালতে তোলা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন থেকেই মেয়েদের নাম ব্যবহার করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা আত্মসাৎ করছিলেন একাধিক পুরুষ। ওই তিন অভিযুক্তই অবৈধভাবে অ্যাকাউন্টগুলি খুলেছিল। তদন্তকারীদের অনুমান শুধু এই তিনজন নয়, আরও বেশ কিছু বড় বড় মাথা। তাঁদের খোঁজে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি বাকিদের খোঁজে তল্লাশিও চালাচ্ছে ডোমকল থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীরে নিয়ে যেতেই আরও ১০ দিন তাঁদের হেফাজতে রাখতে চাইছে পুলিশ। কতদিন থেকে তাঁরা এই কাজ করে আসছিলেন, নিজেরা কত টাকা রেখেছেন, কাদের নির্দেশে করছিলেন, সবই জানতে চাইছে পুলিশ। এখন দেখার বহরমপুর আদালতের তরফে কী নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে।