
মুর্শিদাবাদ: এলাকার লোকজন জানতো পুলিশে কাজ কাজ করে। নিজেও নিজেকে কনস্টেবল বলে পরিচয় দিতেন। বলতেন শক্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। কিন্তু কে জানতো নেপথ্যে রয়েছে বড়সড় রহস্য। যদিও ততক্ষণে পুলিশ পরিচয় দিয়ে গ্রামের একটি মেয়েকে বিয়েও করেন। কিন্তু ফাঁকি দিতে পারেননি নতুন শাশুড়ির চোখ। জামাইয়ের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হওয়াতেই শুক্রবার বিকেলে সোজা শক্তিপুর থানায় চলে যান শাশুড়ি। তখনই সামনে আসে আসল সত্যি।
যে যুবককে নিয়ে এত কাণ্ড সেই বছর পঁচিশের কামালউদ্দিন মির্জার বাড়ি বীরভূমের লাভপুর থানার হাতিয়া গ্রামে। তাঁর শাশুড়ির অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে শক্তিপুরের লাহারপাড়া গ্রাম থেকে ওই ভুয়ো পুলিশকে পাকড়াও করে শক্তিপুর থানার পুলিশ। খবর চাউর হতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। এলাকার ছেলের এই কীর্তি দেখে হতবাক প্রতিবেশীরা।
অভিযোগ, শুধু পুলিশ পরিচয়ই দিতো না পুলিশের পোশাক ও পুলিশের আই কার্ডও তৈরি করে ফেলেছিল কামালউদ্দিন। কয়েক মাস থেকে শক্তিপুর থানার লাহারপাড়া গ্রামে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন পুলিশের পোশাক পরেই। পুলিশ পরিচয় দিয়ে ৩০ জুন ওই গ্রামের একটি মেয়েকে বিয়েও করেন। যদিও বিয়ের পরেই সব খেলা শেষ। আপাতত তাঁকে জেরা করে তাঁর আসল উদ্দেশ্যে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। শনিবার তাঁকে বহরমপুরে জেলা আদালতে তোলা হবে বলে জানা যাচ্ছে।