
কৃষ্ণনগর: সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে জারি হল গ্রেফতারি পরোয়ানা। বুধবার নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের তৃতীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই পরোয়ানা জারি করেছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে। একাধিকবার তাঁকে সমন দেওয়া হলেও, তিনি হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২২৪ ধারার প্রক্রিয়া অনুযায়ী, অভিযোগকারীকে আদালতের তরফে একাধিকবার সমন জারি করা হয়েছিল।
মহুয়ার বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে BNS-এর একাধিক ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।
৭৯ ধারা (নারীর শ্লীলতাহানি/মর্যাদাহানির অভিযোগ
১৯৬ ধারা (গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা উস্কে দেওয়ার অভিযোগ)
২৯৯ ধারা (ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ)
৩৫১ ধারা (অপরাধমূলক ভয় দেখানোর অভিযোগ)
৩৫৩(২) ধারা (বিদ্বেষমূলক বক্তব্য সংক্রান্ত অভিযোগ)
গত ১ জুলাই নদিয়ায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। ওইদিন তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ও পাথর ছোড়া হয়। সেই সময় মহুয়া যে মন্তব্য করেন, তাতেই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সাংসদ বলেছিলেন, “এভাবে ডিম ছোড়ার থেকে বোরখা পরে ডিম ছুড়ুন। তাহলে আপনাকে আর কেউ দেখতে পাবে না। আপনার বিরুদ্ধে তাহলে অভিযোগ হবে না।” এরপরই নদিয়ার হোগলবেড়িয়ার থানার মামলা দায়ের হয়।
মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট রক্ষাকবচ দিয়েছিল ঠিকই, তবে একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছিল, তদন্ত চলবে। সংসদের অধিবেশন মিটলে থানায় গিয়ে হাজিরা দিতে হবে মহুয়া মৈত্রকে। হাই কোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান মহুয়া।