Nadia: পা বাঁধা, আম গাছে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ

BJP Worker Found Hanging: বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক খুন। তাদের দাবি, বিশ্বজিৎকে অন্যত্র খুন করে পরে ঘটনাস্থলে এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Nadia: পা বাঁধা, আম গাছে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগ
BJP কর্মী বিশ্বজিৎ শিকদারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jul 06, 2026 | 3:03 PM

নদিয়া: পাশে রাখা সাইকেল, জুতো। আর পা বাঁধা অবস্থায় আম গাছে ঝুলছেন বিজেপি কর্মী। সোমবার সকালে বিজেপি ওই কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ল নদিয়ার কল্যাণীতে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম বিশ্বজিৎ শিকদার। বিজেপি ওই কর্মীকে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

মৃত বিজেপি কর্মীর বাবা বিজেপির বুথ সভাপতি। আর বিশ্বজিৎ এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবেই পরিচিত। তাঁর একটি সাইকেলের দোকান রয়েছে। এদিন সকালে বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে কল্যাণী থানার ডেঙুরপাড়া এলাকায় আম গাছে বিশ্বজিৎকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে আসে কল্যাণী থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক খুন। তাদের দাবি, বিশ্বজিৎকে অন্যত্র খুন করে পরে ঘটনাস্থলে এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে ঘটনাটিকে অন্য খাতে প্রবাহিত করা যায়। একজন পা বাঁধা অবস্থায় এভাবে গলায় দড়ি দিতে পারেন না বলে বিজেপির বক্তব্য। আত্মহত্যা করলে কেন বাড়ি থেকে ৩ কিমি দূরে আসবেন, সেই প্রশ্নও তুলছে গেরুয়া শিবির।

বিজেপির আরও দাবি, বিশ্বজিতের বাবা কল্যাণীর ১২৭ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি। দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক কারণে তাঁদের পরিবারকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। বিশ্বজিৎকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য একাধিকবার চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। এমনকি এর আগেও তাঁকে মারধর করা এবং তাঁর দোকানে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগও তুলেছে বিজেপি।

বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি বিজেপির। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মৃতদেহের ময়নাতদন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন কোনও হাসপাতালে করার দাবিও জানিয়েছে তারা। অন্যদিকে, ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণী থানার পুলিশ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।

Follow Us