
কৃষ্ণনগর: রাতে আচমকা সার্কিট হাউস ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। ফোন এসেছে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে। এমন অভিযোগ জানিয়ে শুক্রবার রাতেই লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লাকে চিঠি লিখলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সদ্য লোকসভার অধিবেশন শেষে রাজ্যে ফিরেছেন মহুয়া মৈত্র। শুক্রবারই নিজের কেন্দ্র কৃষ্ণনগরে যান তিনি। সেখানেই এই পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ মহুয়ার।
চিঠিতে মহুয়ার দাবি, গত ১৩ অগস্ট স্পিকারকে নিজের কেন্দ্রে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন এবং নিরাপত্তার আবেদনও জানিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী, শুক্রবার কৃষ্ণনগরের সার্কিট হাউসে পৌঁছন তিনি। এরপরের ঘটনাক্রম তিনি উল্লেখ করেছেন চিঠিতে।
মহুয়া জানান, সন্ধ্যা ৬টা ১৫ নাগাদ সার্কিট হাউসের প্রবেশ করেন তিনি। কর্মীরা তাঁকে তাঁর জন্য নির্দিষ্ট করা ঘরে নিয়ে যান। সন্ধ্যা ৭টায় তাঁর ঘরে চা পাঠানো হয়, রাত ৯টা ২০ তে তাঁর ঘরে রাতের খাবারও পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর রাত ৯টা ৪৭ মিনিটে তাঁর কাছে একটি ফোন যায়।
কৃষ্ণনগরের সাংসদের অভিযোগ, নদিয়ার অতিরিক্ত জেলা শাসক তাঁকে ফোন করে জানান যে সার্কিট হাউস ছাড়তে হবে তাঁকে। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উপর মহল থেকে নির্দেশ এসেছে’, তিনি কেবল বার্তাটি পৌঁছে দিচ্ছেন।
রাত ১০টা ৫২ মিনিটে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাঠানো হয় বলেও জানিয়েছেন মহুয়া। এছাড়া একটি নির্দেশের কপিও পাঠানো হয়েছে, যাতে লেখা ছিল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজের জন্য সার্কিট হাউসে নতুন কোন বুকিং রাখা যাবে। তাই ঘর খালি করতে হবে। মহুয়ার দাবি, তিনি যখন বুকিং করেছিলেন, তখন কেউ তাঁকে কিছু জানায়নি, চেক-ইন করার সময়ও কেউ কিছু জানায়নি। সন্ধ্যায় পৌঁছনোর পর ঘর খালি করার কথা বলতে রাত ১০টা কেন বাজানো হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন মহুয়া।