Jhargram School Closed: জ্বলছে না উনুন, চড়ছে না মিড ডে মিলের হাঁড়ি! দু’দিন ধরে খালি পেটেই ফিরছে পড়ুয়ারা

Jhargram Water Logging: নদী পারাপারের সুব্যবস্থা না থাকায়, বর্ষার সময়ে এমন পরিস্থিতিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। টানা বৃষ্টিতে তারাফেনী নদীর জল এতটাই বেড়েছে যে নদী পার হওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে গিয়েছে। ফলে স্কুলে পৌঁছতে পারেনি শিক্ষকরা। স্কুলে

Jhargram School Closed: জ্বলছে না উনুন, চড়ছে না মিড ডে মিলের হাঁড়ি! দুদিন ধরে খালি পেটেই ফিরছে পড়ুয়ারা
স্কুলে হাজির গুটিকয়েক পড়ুয়া। Image Credit source: TV9 বাংলা

| Edited By: ঈপ্সা চ্যাটার্জী

Aug 18, 2026 | 11:58 AM

ঝাড়গ্রাম: টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন। এই বৃষ্টি শুধু দৈনন্দিন জীবনযাত্রাতেই প্রভাব ফেলেনি, বৃষ্টির জন্য একবেলা পেট ভরে খাবার টুকুও পাচ্ছে না পড়ুয়ারা। টানা দুইদিন স্কুল বন্ধ থাকায়, মিড ডে মিল না পেয়েই ফিরছেন পড়ুয়ারা।

টানা বৃষ্টিতে তারাফেনী নদীতে জল বাড়ায় বিপাকে ঝাড়গ্রামের বিনপুর এলাকার স্কুলশিক্ষক ও পড়ুয়ারা। জল পারাপার কার্যত অসম্ভব হয়ে ওঠায়, গতকালের পর আজও বিনপুরের একাধিক স্কুলে পৌঁছতে পারলেন না শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ব্যাহত হচ্ছে পঠনপাঠন। বিন্দাধরা ও ঢোলভাঙ্গা স্কুল টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে, বাসাঝুড়ি স্কুলে মোট তিনজন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র একজন পৌঁছতে পারলেও, বাকি দুইজন আসতে পারেননি। শিক্ষক না থাকায় এবং রান্না না হওয়ায় মিড-ডে মিল পায়নি পড়ুয়ারাও। খাবার ছাড়াই শেষমেশ বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হয় ছাত্রছাত্রীরা।

নদী পারাপারের সুব্যবস্থা না থাকায়, বর্ষার সময়ে এমন পরিস্থিতিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। টানা বৃষ্টিতে তারাফেনী নদীর জল এতটাই বেড়েছে যে নদী পার হওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে গিয়েছে। ফলে স্কুলে পৌঁছতে পারেনি শিক্ষকরা। স্কুলে চড়েনি মিড ডে মিলের হাঁড়ি। নিরুপায় হয়ে, খালি পেটেই পড়ুয়ারা ফিরে গিয়েছে বাড়িতে। খুদে পড়ুয়া বলে, জল বেড়েছে বলে শিক্ষকরা আসেনি।

বাসাঝুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাপু দে বলেন, “শিক্ষকরা সবাই আসতে পারেননি, ঢোলভাঙা ব্রিজে জল উঠে গিয়েছে। আমায় নদী পেরতে হয় না, তাই আমি আসতে পেরেছি। আমি একাই স্কুল চালাচ্ছি।”

এক অভিভাবিকা ঝুমা কালসার বলেন, “নদীর জল ব্রিজে উঠে গিয়েছে, তাই শিক্ষিকারা আসতে পারেননি। আমাদের খুব সমস্যা হয়। আমরা নিজেরাও যাতায়াত করতে পারছি না। অসুস্থ মানুষরা তো কোনওমতেই বের হতে পারবেন না। বাচ্চারা স্কুলে এসে ঘুরে চলে গিয়েছে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us