
উত্তর ২৪ পরগনা: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের নেপথ্যে কার হাত? এবার বিস্ফোরক নোয়াপাড়ার বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং। তাঁর অভিযোগ, চন্দ্রনাথ রথকে খুন করিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবেই। অভিষেক যে কোনও দিন গ্রেফতার হবেন।
অর্জুন বলেন, “সিমেন্ট-বালি-পাথর বিক্রি করেছে। যে পরিমাণে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে, সরকার যখন পড়বে, তার মাথা তো খারাপ হবেই। ২০০০ পুলিশ হাত থেকে চলে যাবে। চোরকে তো গ্রেফতার করবেই। প্রধানমন্ত্রী তো ইঙ্গিত দিয়েই দিয়েছেন। মহাজঙ্গলরাজের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে। অভিষেক তো যে কোনও দিনই গ্রেফতার হতে পারে। এই তো সেদিনই খুন করিয়ে দিল চন্দ্রনাথকে। চন্দ্র খুনে অভিষেক দায়ী। হতাশা থেকে করিয়েছে।”
চন্দ্রনাথের মাও তৃণমূলকেই দায়ী করেছিলেন। খুনের পরই তিনি বলেছিলেন, “গরম গরম বক্তব্য রেখেছিল, শাসকদলে যারা ছিল, ৪ তারিখের পর কোনও দিল্লির বাবাও রক্ষা করতে পারবে না। তার পরিণতি এটা। জীবন বলি দিতে হল আমার ছেলেকে। ভবানীপুর, চণ্ডীপুর, নন্দীগ্রাম-সহ অনেকগুলো বিধানসভার দায়িত্বে ছিল আমার ছেলে। তবে পর্দার আড়ালেই কাজ করত। রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় যোগ ছিল না।” উল্লেখ্য, এই ‘৪ তারিখের পর দিল্লির বাবা রক্ষা করতে পারবে না’ এহেন হুমকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দিতে শোনা গিয়েছিল।
প্রচারের সময়ে হুঁশিয়ারির সুরে অভিষেক বলেছিলেন, “আমি সবসময় উদারতায় বিশ্বাস করি না। যারা ৫ বছর ধরে বাংলার মানুষকে অত্যাচার করেছ। আইন সবার জন্য এক। যেখানে যেখানে এরা বেশি লাফালাফি করবে, শান্তি সম্প্রীতি বজায় রেখে এবার রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে একটু ডিজেও বাজবে। কেউ শালীনতার গণ্ডি পেরোবেন না। ” যদিও অর্জুন সিংয়ের এই বিস্ফোরক দাবির প্রেক্ষিতে তৃণমূলের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।