Woman Arrested in Basirhat: দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথম পক্ষের শিশুসন্তানের সঙ্গে যা করলেন মা, শিউরে উঠছেন সবাই
Mother Arrested After child Found Dead in Basirhat: এদিন দুপুরে এলাকার মানুষ দেখতে পায়, এলাকারই একটি মন্দিরের বারান্দায় দু'বছরের বাচ্চাটি পড়ে রয়েছে। গ্রামবাসীরা তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে বসিরহাট হাসপাতালে যায়। চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর এলাকার মানুষের সন্দেহ হওয়ায় শিশুটির মা রিয়া বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসা করেন। তখন তিনি স্বীকার করেন, তিনি নিজের সন্তানকে মেরেছেন। আবার কখনও বলেন, তিনি দোষ স্বীকার না করলে তাঁর দ্বিতীয় স্বামীর পরিবার 'ফেঁসে' যাবে।

বসিরহাট: প্রথম স্বামীর সঙ্গে বনিবনা হয়নি। স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে এসেছিলেন বাপেরবাড়ি। প্রথম স্বামীর সঙ্গে তাঁর দুই সন্তান রয়েছে। বিবাহ বিচ্ছেদ না করেই দ্বিতীয় বিয়ে করেন। আর দ্বিতীয় স্বামীর বাড়িতে নিজের ছোট সন্তানকে রেখেছিলেন। দুই বছরের সেই সন্তানকেই খুন করার অভিযোগ উঠল মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের। অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও তাঁর বক্তব্যে ধোঁয়াশা বেড়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম রিয়া বিশ্বাস। তাঁর বাপেরবাড়ি হাসনাবাদ থানার ভেবিয়া এলাকায়। প্রথম স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে বাপেরবাড়ি চলে এসেছিলেন। এরপর বসিরহাট থানা এলাকার গোটরা পঞ্চায়েতের নাপতি পাড়া এলাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। ওই ব্যক্তি তাঁদের বাড়ি তৈরি করতে গিয়েছিলেন। সেই সূত্রে পরিচয় ও প্রেম। তাঁকে বিয়ে করে নাপতি পাড়া এলাকায় এসে সংসার করতে থাকেন। গত কয়েকদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে গন্ডগোল চলছিল।
এদিন দুপুরে এলাকার মানুষ দেখতে পায়, এলাকারই একটি মন্দিরের বারান্দায় দু’বছরের বাচ্চাটি পড়ে রয়েছে। গ্রামবাসীরা তড়িঘড়ি তাকে নিয়ে বসিরহাট হাসপাতালে যায়। চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর এলাকার মানুষের সন্দেহ হওয়ায় শিশুটির মা রিয়া বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসা করেন। তখন তিনি স্বীকার করেন, তিনি নিজের সন্তানকে মেরেছেন। আবার কখনও বলেন, তিনি দোষ স্বীকার না করলে তাঁর দ্বিতীয় স্বামীর পরিবার ‘ফেঁসে’ যাবে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে আসে বসিরহাট থানার পুলিশ। পুলিশ রিয়া বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “মহিলা কখনও স্বীকার করছেন যে তিনি খুন করেছেন। আবার কখনও বলছেন, সব বললে দ্বিতীয় স্বামীর পরিবার ফেঁসে যাবে। আমরা চাই, শিশুটিকে যে খুন করেছে, তার উপযুক্ত শাস্তি হোক।”
