সন্দেশখালি: সন্দেশখালি ইস্যুতে পেঁয়াজের খোসার মতো একের পর এক নতুন তথ্য, নতুন অভিযোগ উঠে আসছে। এসবের মধ্যেই এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল সিবিআই। ধামাখালি ঘাট সংলগ্ন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের নীচে খোলা হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অস্থায়ী ক্যাম্প অফিস। সেই ক্যাম্প অফিস থেকে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির অফিসাররা। লিখিত অভিযোগ জমা নেওয়ার পাশাপাশি সিবিআই অফিসারদের একটি দল রামপুর এলাকায় গিয়ে কথা বলেন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীর সঙ্গে।
উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো এতদিন ই-মেল আইডি খুলে সন্দেশখালির গ্রামবাসীদের অভিযোগ জমা নিচ্ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সব অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখার জন্য বার বার সিবিআই অফিসারদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে নিজাম প্যালেস থেকে ছুটতে হচ্ছিল সন্দেশখালিতে। সেখানে গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। বার বার কলকাতা-সন্দেশখালি যাতায়াতের এই প্রক্রিয়া বেশ সময় সাপেক্ষও ছিল।
এমন অবস্থায় এবার সেই সময় নষ্ট হওয়া ঠেকাতে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় আরও গতি আনতে ধামাখালি ঘাটের কাছে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসই খুলে ফেলল সিবিআই। এর ফলে সিবিআইয়ের যেমন সুবিধা হল, তেমনই সুবিধা হল গ্রামবাসীদেরও। ইমেল মারফত অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে অনেক সময়েই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছিল গ্রামের সাধারণ মানুষজনকে। বিশেষ করে কীভাবে ইমেল করে অভিযোগ জানাতে হবে, সেটা নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল তাঁদের। এবার অস্থায়ী ক্যাম্প অফিস খোলায় সেই সমস্যার সমাধান হল গ্রামবাসীদের জন্যও। এবার থেকে সরাসরি লিখিত অভিযোগ তাঁরা জানাতে পারবেন এই অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে। আজও রামপুর এলাকায় গিয়ে ইমেল মারফত পাওয়া অভিযোগগুলি নিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।
সন্দেশখালি: সন্দেশখালি ইস্যুতে পেঁয়াজের খোসার মতো একের পর এক নতুন তথ্য, নতুন অভিযোগ উঠে আসছে। এসবের মধ্যেই এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল সিবিআই। ধামাখালি ঘাট সংলগ্ন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের নীচে খোলা হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অস্থায়ী ক্যাম্প অফিস। সেই ক্যাম্প অফিস থেকে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির অফিসাররা। লিখিত অভিযোগ জমা নেওয়ার পাশাপাশি সিবিআই অফিসারদের একটি দল রামপুর এলাকায় গিয়ে কথা বলেন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীর সঙ্গে।
উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো এতদিন ই-মেল আইডি খুলে সন্দেশখালির গ্রামবাসীদের অভিযোগ জমা নিচ্ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সব অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখার জন্য বার বার সিবিআই অফিসারদের কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে নিজাম প্যালেস থেকে ছুটতে হচ্ছিল সন্দেশখালিতে। সেখানে গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। বার বার কলকাতা-সন্দেশখালি যাতায়াতের এই প্রক্রিয়া বেশ সময় সাপেক্ষও ছিল।
এমন অবস্থায় এবার সেই সময় নষ্ট হওয়া ঠেকাতে এবং তদন্ত প্রক্রিয়ায় আরও গতি আনতে ধামাখালি ঘাটের কাছে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসই খুলে ফেলল সিবিআই। এর ফলে সিবিআইয়ের যেমন সুবিধা হল, তেমনই সুবিধা হল গ্রামবাসীদেরও। ইমেল মারফত অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে অনেক সময়েই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছিল গ্রামের সাধারণ মানুষজনকে। বিশেষ করে কীভাবে ইমেল করে অভিযোগ জানাতে হবে, সেটা নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল তাঁদের। এবার অস্থায়ী ক্যাম্প অফিস খোলায় সেই সমস্যার সমাধান হল গ্রামবাসীদের জন্যও। এবার থেকে সরাসরি লিখিত অভিযোগ তাঁরা জানাতে পারবেন এই অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে। আজও রামপুর এলাকায় গিয়ে ইমেল মারফত পাওয়া অভিযোগগুলি নিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।