Suvendu Adhikari Halisahar: ‘পুলিশের গাফিলতি প্রমাণিত…’, মৃত তৃণমূল নেতার কাউন্সিলর স্ত্রীকে CM-র অ্যাটেনডেন্টের চাকরি দিলেন শুভেন্দু

Halisahar: শুভেন্দু বলেন, "প্রথমত মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। বলেছে আমরা জেনেছি শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃতের দু'টি সন্তান আচ্ছা। তাঁদের ভবিষ্য়তের দায়িত্ব নিতে হবে।"

Suvendu Adhikari Halisahar: পুলিশের গাফিলতি প্রমাণিত..., মৃত তৃণমূল নেতার কাউন্সিলর স্ত্রীকে CM-র অ্যাটেনডেন্টের চাকরি দিলেন শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রীImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Aug 10, 2026 | 11:34 AM

হালিশহর: পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ তৃণমূল নেতার। রবিবার দলের সেই কর্মীর পরিবারে গিয়ে চোর স্লোগান শুনতে হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে। তবে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেননি পরিবারের কেউ। আজ অর্থাৎ সোমবার সকালে সেই হালিশহরে পৌঁছে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvednu Adhikari)। মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি। মৃত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রী কাউন্সিলর। তাঁকে অ্যাটেনডেন্টের চাকরি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ও মৃতের দুই শিশুর পড়াশোনার দায়িত্বভারও গ্রহণ করলেন তিনি। একই সঙ্গে তদন্তকারী অফিসারকেও সাসপেন্ড করলেন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দু।

‘মৃতের পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি’

শুভেন্দু বলেন, “যে ছেলেটি মারা গিয়েছেন তার পরিবার একটি কাগজ দিয়েছে। এখানে অর্জুন সিং, লোকাল বিধায়ক, DGP আছেন। পরিবারকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি। তারা এই মৃত্যুকে নিয়ে রাজনৈতিক স্লোগান কাউকে দেয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার পর বাড়ি লোক দেখা করেননি। মৃতের দাদা বলছিলেন, আমি বিচার চাই আর বিচার দিতে পারবে রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন।” গোটা বিষয়টিতে কার্যত আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী। বারেবারে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, “পরিবার পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা রেখেছেন। এটা পাওনা।” একই সঙ্গে এ রাজ্যে পুলিশের অত্যাচারের ঘটনার অনেক উদাহরণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশমন্ত্রী।

‘বুদ্ধবাবু ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পারেননি’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রয়াত বুদ্ধবাবু ও মমতার সময়ে একটা উদাহরণ দেখাতে পারবেন না, যে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক প্রধান মুখ্যমন্ত্রী, ডিজিপিকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক ভিন্ন মত পোষণ করা লোকের বাড়িতে এসেছেন। এই উদাহরণ পাবেন না। মৃতের পরিবার পুরোটাই তৃণমূল করে। মৃতের পরিবারের স্ত্রী কাউন্সিলর।”

‘মৃতের পরিবার কী কী চেয়েছে?’

শুভেন্দু বলেন, “প্রথমত মৃতের পরিবার দুটো জিনিস চেয়েছে। বলেছে আমরা জেনেছি শারীরিক অত্যাচার হয়েছে। দোষী পুলিশদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, মৃতের দু’টি সন্তান আচ্ছা। তাঁদের ভবিষ্য়তের দায়িত্ব নিতে হবে।” এরপর তাঁর আরও সংযোজন, “উনি বললেননি আমরা করেছি। পুলিশের হেফাজতে মারা গেছে এটা দিনের আলোর মতো সত্যি। কতটা শারীরিক অত্যাচারে মারা গেছে, সেটা আমরা বলতে পারব না। তিনজন ডাক্তারের উপস্থিত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যাবে। IO-তে সাসপেন্ড করছি। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে ম্যাজেস্ট্রেরিয়ান ইনকোয়ারি দায়িত্ব দিচ্ছি।”

‘স্ত্রীকে চাকরি’

শুভেন্দুর ঘোষণা, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বছরে তিনজন অ্যাটেনডেন্ট পাই। ওঁর স্ত্রীকে আমার অ্যাটেনডেন্ট হিসাবে চাকরি দিলাম। উনি শোক কাটিয়ে ওঠার পর লোকাল থানার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। এই অ্যাটনডেন্টরা ১৫ হাজার টাকা বারো মাস পায়। ১২ মাস শেষ হলে গ্রুপ ডি-তে স্থায়ী নিয়োগ হন। বারেবারে বলেছি মৃত্যু অর্থ দিয়ে হয় না। তবে মুখ্যমন্ত্রীর তো দায়িত্ব থাকে। ওরা অর্থ চায়নি। তবে আমি মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ড থেকে ১০ লক্ষ টাকার চেক দিয়েছি।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us