
উত্তর ২৪ পরগনা: অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ১২ পাতার ফর্মে কোথায় কোথায় কনফিউশন! আবেদন করতে গিয়ে কোথায় খাচ্ছেন হোঁচট, কী বললেন আবেদনকারীরা? প্রশ্ন উঠছে আরও এক গুচ্ছ। আবেদনকারীরা বিভ্রান্তিতে, যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন, তাঁদেরও কি এই ফর্ম ফিলআপ করতে হবে?
এক আবেদনকারী বললেন, “দেড় হাজার টাকার বদলে ৩ হাজার টাকা পাবে, এর থেকে ভাল আর কী হয়! অনেকের সত্যিই এই টাকাটার প্রয়োজন, তাঁরা পেলে সত্যিই ভালো। তবে আবেদনের বিষয়ে বেশ কিছু ধোঁয়াশা রয়েছে। আবেদন করার বিষয়টা যদি সত্যিই সরকার আরও একটি পরিষ্কার করে বলত, ভাল হত।”
বয়স্ক আরেক মহিলা বললেন, “প্রথমে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেছিলেন, যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন, তাঁরা প্রত্যেকেই এই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা পাবেন। তারপর মুখ্যমন্ত্রী আবার বললেন নতুন ফর্ম ফিল আপ করতে হবে, সেটা আবার ১২ পাতার। অনেক ডিটেলস চেয়েছে। কিন্তু সবার পক্ষে এতটা ডিটেলস দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করা কি সম্ভব? তাঁদের কি কেউ সাহায্য করবেন? কারা করবেন?”
পাশেই দাঁড়িয়ে বছর চল্লিশের এক মহিলা। তিনি বলেন, ” সত্যিই মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছিল, লক্ষ্মীর ভান্ডার যাঁরা পেতেন, তাঁরা DBT করলেই পেয়ে যাবেন। সবাই আবার ব্যাঙ্কে ছুটলেন। আবার এই ফর্ম ফিলাপ।”
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ফর্ম দেখে রীতিমতো ঘাবড়ে যাচ্ছেন সাধারণ উপভোক্তারা। ফর্মে বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে পরিবার সংক্রান্ত একাধিক তথ্য। কেবল পরিবার সংক্রান্ত নয়, পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের বিস্তারিত তথ্য, একেবারে খুঁটিনাটি বিষয় জানাতে হবে আবেদনকারীকে। জানাতে হবে তাঁর পরিবারে কত জন সদস্য, সদস্যরা কী করেন, তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস, ভোটার তালিকার ডিটেলস, রেশন কার্ডের ডিটেলস, তাঁদের স্বাস্থ্য বিমা, আয়-পেশা ইত্যাদি একাধিক বিষয়।