
পানিহাটি: তোলাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রেফতার হচ্ছেন তৃণমূলের একের পর এক নেতা। এই পরিস্থিতিতে গা ঢাকা দিলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ। পুলিশকে এড়িয়ে চলছেন নির্মল ঘোষও। তোলাবাজির অভিযোগে পানিহাটির এক বড় বার ও হোটেলের মালিক সুশান্ত সরকারকে গ্রেফতার করেছে খড়দহ থানার পুলিশ। প্রাক্তন বিধায়ক এবং বিধানসভার প্রাক্তন মুখ্যসচেতক নির্মল ঘোষ এবং তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে।
বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখিয়ে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ ও পানিহাটির এক বড় পানশালার মালিক সুশান্ত সরকারের বিরুদ্ধে। খড়দহ থানার পুলিশ সুশান্ত সরকারকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার ধৃত সুশান্তকে ব্যারাকপুর আদালতে তোলে পুলিশ। তাঁকে জেরা করেই নির্মল ঘোষ ও তীর্থঙ্কর ঘোষের সন্ধান পেতে চাইছে পুলিশ। খড়দহ থানার সূত্রে খবর, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ও তাঁর ছেলের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে খোঁজ চালানো হচ্ছে। তবে এখনও অধরা তাঁরা।
প্রসঙ্গত, আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দেহ দ্রুত দাহ করার ক্ষেত্রেও অভিযুক্ত নির্মল ঘোষ। তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ছাব্বিশের নির্বাচনে পানিহাটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথের কাছে পরাজিত হন। ভোটে পরাজয়ের পর এখন তোলাবাজির অভিযোগে পিতা-পুত্রকে খুঁজছে পুলিশ।
বার মালিক সুশান্ত সরকারের গ্রেফতারের ঘটনায় ব্যারাকপুর রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপির যুবনেতা জয় সাহা বলেন, “এরা সমস্ত ধরনের দুষ্কৃতীমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। ধৃত ব্যক্তি টাকা তুলে নির্মল ঘোষ এবং তীর্থঙ্কর ঘোষের কাছে পাঠাত। অপেক্ষা করুন, তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং নির্মল ঘোষ গ্রেফতার হবেন।”